What is RAM and ROM | Diffference between RAM and ROM- কম্পিউটারে এই দুটি জিনিস কেন দরকার? - জীবন গড়ি প্রযুক্তির সুরে ♫

Infotech Ad Top new

Infotech ad post page Top

What is RAM and ROM | Diffference between RAM and ROM- কম্পিউটারে এই দুটি জিনিস কেন দরকার?

What is RAM and ROM | Diffference between RAM and ROM- কম্পিউটারে এই দুটি জিনিস কেন দরকার?

Share This

আপনার কম্পিউটার আছে অথচ RAM আর ROM এই শব্দ দুটির সঙ্গে আপনি পরিচিত নন এমন কথা হয়তো পাগলেও বিশ্বাস করবে না। আবার কথা দুটির সঙ্গে পরিচিত থাকলেও RAM এবং ROM এ দুটি বিষয়ের গভীরে হয়তো খুব কম লোকই গেছেন। আজকে আমরা জানবো কম্পিউটারের RAM এবং ROM কি।

RAM(র‌্যাম): RAM শব্দের অর্থ হলো Random Access Memory . অর্থাৎ RAM বলতে আমরা কম্পিউটারের সেই মেমোরিকে বুঝে থাকি যে মেমোরিকে আশ্রয় করে কম্পিউটার স্টোরেজ বা হার্ডডিক্সে রক্ষিত যে কোন ডকুমেন্টস, ফাইলস বা প্রোগ্রামে আমরা যখন তখন অ্যাক্সেস করতে পারি, সম্পাদনা করতে পারি এবং নতুন কিছু লিখতে পারি। তবে এই ধরনের মেমোরি তে কাজ করার একটি অসুবিধা সেটি হল কাজ করার সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে সমস্ত কাজ হারিয়ে যাই বা মুছে যায়। রেম এর ধারণক্ষমতা ভেদে কম্পিউটারের স্পিড অনেকাংশে নির্ভর করে। যদিও কম্পিউটারের স্পিড বা গতি অনেক বিষয়ের উপর নির্ভরশীল।

ROM (রম): ROM শব্দটির পূর্ণরূপ হল Read Only Memory. এটি মূলত একটি দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী মেমোরি এটা বিদ্যুৎ চলে গেলেও বা বিদ্যুৎ না থাকলেও ডাটা সংরক্ষণ করতে পারে। এরূপ মেমোরিতে কেবল তথ্য Read করা যায়। ROM এ কোন তথ্য একবার স্টোর করা হলে তা আর সাধারনত এডিট করা যায়না।

RAM ও ROM এর মধ্যে আসলে আর কোন কোন ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে?

RAM ও ROM এর কাজ বুঝতে হলে এদের মাঝে পার্থক্য করাটা জরুরী। আসুন জেনে নেওয়া যাক এদের মাঝে পার্থক্যগুলো

পার্থক্যের বিষয়

ROM (রম )

RAM (র‌্যাম)

তথ্য ধরে রাখার ক্ষমতা

ROM একটি স্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী মেমোরি যাতে পাওয়ার বিদ্যুত ছাড়াই তথ্য বা ডেটা ধারন করতে পারে ।

RAM একটি অস্থায়ী মেমোরি বা স্মৃতি যাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে সমস্ত তথ্য মুছে যায়।

ব্যাবহার

ROM সাধারনত কম্পিউটার মাদারবোর্ডে BIOS (Basic Input/Output System and যেটি আসলে System BIOS, ROM BIOS or PC BIOS নামে পরিচিত) Program/Data সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয় । Nintendo, Gameboy, and Sega Genesis game cartridge ইত্যাদি গেমগুলোতে মেডিয়া স্টোর হিসেবে একসময় ROM এর ব্যবহার হতো।

কম্পিউটার ব্যবহার করা অবস্থায় অস্থায়ীভাবে কোন ফাইলকে স্টোর করতে ব্যবহার করা হয়। যার কার্যকারিতা কেবল কম্পিটার চলমান অবস্থায় পরিলক্ষিত হয় । এটিকে CPU এর ক্যাশ মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি বলা হয়।

স্টোরেজ ক্যাপাসিটি

একটি রম চিপে সাধারনতঃ ৪ হতে ৮ মেগাবাইট জায়গা থাকে।

একটি RAM এ ১ জিবি হতে শুরু করে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ ক্যাপাসিটি থাকতে পারে ।

বাহ্যিক আকার

একটি ROM চিপের আকার সাধারণত এর ব্যবহারের উপর নিভর করে । সাধারনতঃ এটি লম্বায় এক ইঞ্চি বা তার ছোট হয়ে থাকে। প্রস্থে এটি ব্যবহারভেদে ১ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বেশি হতে পারে ।

ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে ব্যবহারের ভিত্তিতে সাধারনতঃ RAM এর দু’টি প্রাথমিক সাইজ দেখা যায়। সাধারনত ডেস্কটপে যেটি ব্যবহৃত হয় সেটির আকার সাধারনত: ৫ বা সাডে পাঁচ ইঞ্চি হয়ে থাকে। আর ল্যাপটপের র‌্যাম আকারে এর প্রায় অর্ধেক হয়ে থাকে।

ডেটা একসেস

ROM এ ডেটা একসেস সীমিত। এর ডেটা সাধারনত রিড করা বা পড়া যায়।

RAM এর ডেটা ইচ্ছামত রিড করা, মুছে ফেলা এবং Modify করা যায়।

Speed বা গতি

ROM এর স্পিড বা গতি অনেকটা কম

তুলনামুল ROM এর থেকে RAM এর গিত অনেক বেশি হয়ে থাকে।

দাম

ROM অনেকটা সস্তা ও সাশ্রয়ী

RAM এর মুল্য বেশ বেশি




এবার আসুন একটু অন্য বিষয়ে আলোকপাত করি। RAM  ও ROM যেহেতু দুটিই কম্পিউটারের মেমোরি। তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক কম্পিউটারের কতকগুলো মেমোরি রয়েছে এবং সেখানে RAM ও ROM এর অবস্থানটা কোথায়। নিচের ফ্লো-চার্টটি একটু ভাল করে দেখুন-

উপরের চিত্রে এটা স্পষ্ট যে, আমরা কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক যেটাকে কেসিং এর মধ্যে স্থাপন করি বলে সেটিকে অনেক সময় ইন্টারনাল মেমোরি বলি আসলে কথাটিকে আমরা ডাহা ভূল বলে থাকি। আসলে ইন্টারনাল মেমোরি বলতে মূলত RAM এবং ROM কেই বলা হয়।

ROM ও RAM কেন প্রয়োজন অর্থাৎ এর ব্যবহার কোথায়?

ROM সিস্টেম অটোমেশনের জন্য  খুবই গুরত্বপুর্ণ একটি ডিভাইস কারন এটি সিস্টেমের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণ করে রাখতে সক্ষম। এবং একবার এই ডিভাইসে কোন তথ্য রাখা হলে ব্যবহার কারী আর একে ডিলিট বা মডিফােই করতে পারেনা। তাই এটিকে আমরা স্থায়ী ও সুরক্ষিত ডেটা স্টোরেজ কম্পোনেন্ট বলতে পারি।  এই বৈশিষ্টের কারনে ROM কে শুধু কম্পিউটারে নয় অন্যান্য ডিভাইস যেমন Washing Machine, Microwave Oven ইত্যাদিতেও ব্যবহার করা হয়।

অপরদিকে RAM কে আমরা স্লেট বা বোর্ডের সাথে তুলনা করতে পারি যাতে আমরা বিদ্যুতের উপস্থিতিতে কোন তথ্য রাখতে বা Edit বা মডিফাই করতে পারি। বিদ্যুৎ চলে গেলে আর এতে কোন তথ্য থাকেনা; সবকিছু মুছে যায়। ঠিক যেমন আমরা চক বোর্ড বা স্লেটে চক দিয়ে লিখি আর নিজ প্রয়োজনে মুছে আবার লিখি তেমনি। অর্থাৎ আমরা বুঝতে পারছি যে, RAM হল একটি অস্থায়ী মেমোরি যাতে কোন তথ্য বা নির্দেশনা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকেনা।  এটি রয়েছে বলেই আমরা কম্পিউটারকে রান করাতে পারি, উইন্ডোজ লোড দিতে পারি, উইন্ডোজ লোড দেওয়ার পর  এটিকে আশ্রয় করেই আমরা বিভিন্ন সফটওয়্যার, ব্রাউজার রান করাতে পারি, বিভিন্ন তথ্যে একসেস করতে পারি, তা মডিফাই বা Edit করতে পারি। অর্থাৎ কম্পিউটারে উইন্ডোজ রান হওয়া এবং এর পর কোন তথ্য সেভ করার আগ পর্যন্ত যত কাজ করিনা কেন তা আমরা এই RAM এই করে থাকি। তাই কাজের দ্রুততা বা গতির সাথে RAM ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। RAM বেশি হলে এবং আপনার কম্পিউটার ‍যদি তার সাথে কম্পিটেবল হয় তবে কম্পিউটারে কাজের গতি দ্রুত হয়। 

ROM ও RAM কত ধরনের বা কত প্রকার?

 প্রযুক্তির শুরু হতে এই অবধি বিভিন্ন ধরনের ROM ও RAM মার্কেটগুলোতে দৃশ্যমান হয়। নিচে ROM ও RAM বিভিন্ন শ্রেনী উল্লেখ করা হলো-

ROM এর শ্রেণিবিভাগঃ-

বাজারে বিভিন্ন ধরনের রমের ব্যবহার রয়েছে, এগুলোর প্রত্যেকটি আলোচনা করার চেষ্টা করবো-

MROM (Masked Read Only Memory) :

MROM বলতে Masked Read Only Memory কে বুঝি।এটি বাজারে আসা প্রথম ROM যা বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ডিভাইসে এ ব্যবহার হতো বা এখনও হয়।  Masked ROM গুলোতে পুর্ব-পরিকল্পিত প্রগ্রাম ডেটা ও নির্দেশনা দেওয়া থাকে। এবং এগুলো দামেও অনেকটা সস্তা। যখন এতে সেমি কন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারি প্রক্রিয়া ডিজাইন করা হয়, তখন মাস্ক ‍Softwar এর মাধ্যমে এর চিপে তথ্য বার্ন করা হয়।

MROM এর বাস্তবিক ব্যবহার উদাহরণঃ

  • Network Operating Systems (NOS)
  • Server Operating Systems (SOS)
  •  Laser printers এ ফন্ট ধারণ করে রাখা
  • Electronic musical instruments এ সাউন্ড ডেটা ধারণ করা।


PROM (Programmable Read Only Memory):

PROM অর্থাৎ Programmable Read Only Memory তে কেবল মাত্র একবারই তথ্য রাইট বা লেখা যায়, এবং স্থায়ীভাবে থেকে যায়। কম্পিউটার অফ করা হলেও PROM চিপ তার প্রয়োজনীয় সেই সকল তথ্য ধরে রাখতে পারে। এক্ষেত্রে ইউজার একটি ব্লাংক বা খালি PROM ক্রয় করে তাতে PROM program ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডেটা তাতে রাইট করে নেয়।  PROM Chip  এ ডেটা রাইট করতে ভাল ও সুদক্ষ প্রগ্রামার দরকার হয়। আর এই ডেটা রাইট করার এই প্রক্রিয়াকে ইংরেজীতে Burning PROM বলে। একবার ডেটা Burn করার পর আপনি এতে কোন মডিফিকেশন করতে পারবেন না। 

Programmable Read Only Memory এর ব্যবহার সাধারনত নিচের ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার হয়ে থাকে যেমন-
  • Radio-Frequency Identify করতে
  • Video game consoles এ
  • Mobile Phones তৈরীতে
  • High definition Multimedia Interface গলোতে

EPROM (Erasable and Programmable Read Only Memory)

EPROM অর্থাৎ Erasable and Programmable Read Only Memory তে স্টোরকৃত ডেটা ultra-violet light ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময়সীমা তথা ৪০ মিনিটের মধ্যে মুছে ফেলা যায় The ultraviolet light  ডেটা মুছে ফেলার পর তাতে আবার প্রগ্রাম লেখা যায়। EPROM এ প্রগ্রাম মুছতে লেখতে একটি বিশেষ ডিভাইস যার নাম PROM programmer বা PROM burner ব্যবহার করা হয়।

Erasable Programmable Read Only Memory এর ব্যবহার-

  • Micro controller, modem, video card and other electronic gadget এর মধ্যে ব্যবহৃত চিপে
  • Debug করতে
  • প্রগ্রাম লিখতে
  • কম্পিউটারের BIOS chip এ
 

EEPROM (Electrically Erasable and Programmable Read Only Memory):

EEPROM অর্থাৎ Electrically Erasable and Programmable Read Only Memory তে বৈদ্যুতিকভাবেই প্রোগ্রাম লেখা ও মুছা যায়।   EEPROM চিপ এ দশ হাজারের ও অধিকবার প্রগ্রাম রাইট করা ও মুছা যায় একবারে পুরো chip মুছে ফেলা যায় না প্রতিবারে এটি কেবল একবাইট তথ্য মুছা যায়।

Electrically Erasable Programmable Read Only Memory এর ব্যবহার-

  • কম্পিউটারের BIOS chip এ
  • টেস্ট ইকুইপমেন্ট এ পুনরায় প্রোগ্রাম করা তথ্য স্টোরেজ করতে।
  • দুর নিয়ন্ত্রিত ট্রান্সমিটারে স্বয়ংচালিত তথ্য সংরক্ষণ করতে

 RAM এর শ্রেণী বিভাগ

RAM একটি ইন্টারনাল মেমোরি যেটি হার্ডওয়্যার ডিভাইসরুপে সিপিইউ(CPU) এর মধ্যে মাদারবোর্ডে বসানো থাকে। কম্পিউটার এর সুইচ অন করামাত্রই বিভিন্ন ডেটা বা তথ্য, প্রোগ্রাম এবং প্রগ্রাম রিলেটেড রেজাল্টগুলো  এতে স্টোর হতে থাকে। এটি কম্পিউটারের রিডেবল ও রাইটেবল মেমোরি যাতে যে কোন তথ্য রিড (Read) করার পাশাপাশি রাইট (Write) ও করা যায়।  আমি আগেই বলেছি RAM একটি অস্থায়ী(Volatile) মেমোরি যাতে কোন কিছু স্থায়ীভাবে স্টোর করা যায়। যখন কম্পিউটারের সুইচ অন করা হয় সাথে সাথে হার্ড ডিস্কে থাকা নির্দেশনা RAM এ সঞ্চারিত হয়। এই নির্দেশনা গুলোর মধ্যে রয়েছে Operating System(OS) এবং অন্যান্য Program সমুহ যা কম্পিটারটিকে রান হতে সাহায্য করে। 
কম্পিউটারের সুিইচ অফ করার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত ডেটা হারিয়ে ফেলে। 
 
RAM বিভিন্ন আকৃতির, বিভিন্ন Capacity (যেটি আসলে MB/GB ইউনিট দিয়ে মাপা হয়), বিভিন্ন গতির (যার একক MHz অথবা GHz) হয়ে থাকে। যাই হোক RAM কেনার সময় নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো মাথা রাখতে হয়। যেমন-
  • পুরোনো জেনারেশনের কম্পিউটারে সাম্প্রতিক বাজারের RAM কম্পিটেবল হবেনা।
  • Laptop ও Desktop এর RAM আকারে আলাদা তাই একটির জন্য অপরটি সম্পুর্ন অকেজো।
  • পুরোনো রাম বর্তমানের কম্পিউটারগুলোতে কম্পিটেবল না ও হতে পারে।
  • একই মাদার বোর্ডে পুরোনো জেনারেশন ও আপগ্রেড জেনারেশন RAM সাধারনতঃ  ম্যাচ করেনা।
শুরু থেকে এই অবধি বিভিন্ন ক্যাটাগরির RAM আমরা দেখেতে পাই। এগুলোকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়।

1. SRAM (Satic RAM): 

বাজার ব্যপ্তিকাল: ১৯৯০ সাল হতে আজ অবধি

SRAM ব্যবহৃত প্রোডাক্ট সমুহঃ বিভিন্ন ডিজিটাল ক্যমেরা, রাউটার, প্রিন্টার এবং এলসিডি স্ক্রিনে এটি এখনও ব্যবহৃত হয়। 

 SRAM এর জন্য একনাগাড়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ দরকার । সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ প্রবাহের কারনেই SRAM কে স্টোরকৃত ডেটা রিমাইন্ড করতে বার বার Refresh করতে হয় না। এই জন্যই এধরনের RAM কে Satic বলা হয়। যাই হোক এই ধরনের SRAM ও একধরনে Volatile মেমোরি যাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে আর এতে কোন প্রকারের তথ্য বা ডেটা থাকেনা সব কিছু মুছে যায়। SRAM ব্যবহারের অন্যতম সুবিধা হলো এটি স্বল্প বিদ্যুতে চলে আর দ্রুত ডেটা একসেস সুবিধা দেয় আর অসুবিধা হলো এর লোয়ার মেমোরি ক্যাপসিটি আর উৎপাদন খরচ বেশি। আর এই সকল বৈশিষ্ট্যের কারনে যে সকল ডিভাইসে এই SRAM ব্যবহার হয় তা হলো-

  • CPU cache (যেমন L1, L2, L3)
  • Hard drive buffer/cache
  • Digital-to-analog converters (DACs) on video cards

 2. DRAM (Dynamic RAM)

বাজার ব্যপ্তিকাল: ১৯৭০ সাল হতে ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

DRAM ব্যবহৃত প্রডাক্টস সমুহঃ বিভিন্ন ভিডিও গেইম কনসোল ও নেটওয়ার্কিং হার্ডওয়্যারসমুহে

DRAM এ কাজ করতে হলে মাঝে মাঝে রিফ্রেস করতে হয় কারন এটি একনাগাড়ে ব্যবহার করতে বিদ্যুৎ বা পাওয়ার ডিসচার্জ করে। কারন যে ক্যাপাসিটরটি DRAM এ তথ্য স্টোর করে তা Power consume করে। একসময় কোন বিদ্যুৎ নেই তার মানে ডেটা লস অর্থাৎ হারিয়ে গেল। তাই এর এই ধর্মের কারনেই একে ডায়নামিক (Dynamic) র‌্যাম বলা হয়। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর উৎপাদন খরচ স্বল্প এবং মেমোরি ক্যাপাসিটি অনেক। DRAM এর অসুবিধাটা হলো এটি বিদ্যুৎ খরচ করে বেশি আর ডেটা  একসেস স্পীড একটু কম। এই সকল বৈশিষ্ট্যের কারনেই এটি সাধারনতঃ 

  • System memory
  • Video graphics memory এ ব্যবহৃত হয়।

এই DRAMবা Dynamic RAM প্রধানত তিন প্রকার যথাঃ-

a) SDRAM (Synchronous Dynamic RAM) 

 SDRAM সিপিইউ Clock Speed এর সাথে মেমোরি স্পিড এর সাথে সামঞ্জস্য বিধান বা
synchronize করে যাতে যখনই কাঙ্খিত তথ্য হাজির হয় তখনই মেমোরি কন্ট্রোলার CPU ক্লক  সাইকেল সম্পর্কে জানতে পারে। এর ফলে সিপিইউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অধিক ইনস্ট্রাকশন ফলো করতে পারে। সাধারনতঃ SDRAMএর তথ্য ট্রান্সফার স্পিড ১৩৩ মেগাহার্টজ পর্যন্ত উঠতে পারে।

b) RDRAM (Rambus DRAM )

Rambus নামের যে কোম্পানীটি এটি তৈরী করে তার নামানুসারে এই র‌্যামের নামকরন করা হয়। ২০০০ সাল পর্যন্ত এটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। এটি সাধারনতঃ সেই সময় বিভিন্ন ভিডিও গেইম ডিভাইস ও গ্রাফিক্স কার্ডে ব্যবহৃত হতো। এর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড ১ গিগাহার্টজ পর্যন্ত ছিল।

c) DDR SDRAM (Double Data Rate SDRAM)

DDR SDRAM এমন একটি সামঞ্জস্য বিধানকারী (Synchronous) মেমোরি যা Double Bumping Method প্রয়োগ করে Single Data Rate(SDR) SDRAM এর সমান একই Clock ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার দ্বিগুন গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে। বর্তমানে আমরা এই প্রকার RAM এর বিভিন্ন ভার্সন বাজারে দেখতে পায়। যেমন প্রথম দিকে DDR1 ছিল, এর পরেই DDR2, DDR3 আসে । আর সর্ব সাম্প্রতিক বাজারে এসেছে DDR4 । প্রতিটি ভার্সন বা জেনারেশনই একটি অপরটির হতে দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার রেট ও হাই পারফরমেন্স সুবিধা দেয়। যেমন সর্ব সাম্প্রতিক আসা DDR4 র‌্যাম টি ২১৩৩/২৪০০/২৬৬৬ এমন কি ৩২০০ MT/s (মেগা ট্রান্সফার পার সেকেন্ড) পর্যন্ত ডেটা ট্রান্সফার সুবিধা দেয়।


No comments:

Post a Comment

Infotech Post Bottom Ad New

Pages