রহস্যময় ’666’ এক সিক্রেট কোড ! যা না জানলে বুঝবেননা সামনে কে আসতে চলেছে? - জীবন গড়ি প্রযুক্তির সুরে ♫

Infotech Ad Top new

Infotech ad post page Top

রহস্যময় ’666’ এক সিক্রেট কোড ! যা না জানলে বুঝবেননা সামনে কে আসতে চলেছে?

রহস্যময় ’666’ এক সিক্রেট কোড ! যা না জানলে বুঝবেননা সামনে কে আসতে চলেছে?

Share This
এই পৃথিবীর আনাচে কানাচে কত শত রহস্য ছড়িয়ে আছে তার ইয়ত্বা নেই। এর কয়টাই বা আমরা জানতে পারি। আর যে গুলো জানতে পারি তার কয়টার রহস্য ভেদ করতে পারি? না পারি না। তেমনি
666 নাম্বারটি শয়তানের নাম্বার বা ভয়ানক নাম্বার হিসেবেই বিবেচিত হয় খ্রিস্টানদের কাছে।  কিছু কিছু মানুষ এই নাম্বারটি কে একটি অশুভ নাম্বার বা শয়তানের চিহ্ন হিসেবে মনে করে থাকে। কিন্তু 666 এই নাম্বারটি আসলে আসলো কোথা থেকে আসলো? আর এর প্রকৃত অর্থ‌ই বা আসলে কি আজকে আমরা সেটি জানবো। 666 নাম্বারটি আমরা দেখতে পাই পবিত্র বাইবেলের বুক অফ রিভেলেশন দ্য লাস্ট বুক অফ নিউ টেস্টামেন্ট থেকে। এই বইটি যারা পড়েছেন এবং তারা ভাল করে জানেন এটি John কর্তৃক লিখিত। এই বইয়ে আকাশের নক্ষত্র থেকে পড়া একটি ড্রাগন কথা উল্লেখ করা হয় যা সমগ্র সাগরের পানিকে বিষাক্ত করে দেয় এবং মানুষের রক্তে নিমজ্জিত হয় সমস্ত উপত্যকা। 
বুক অফ রিভেলেশন এর 13 তম অধ্যায়ের 17-18 লাইনে এই অশুভ 666 নাম্বারটির কথা আমরা পাই। এই চ্যাপ্টারের John একটি স্বপ্নের কথা বলেন যাতে তিনি দেখেন একটি বহু মাথাওয়ালা এক দৈত্যাকার পশু যে সমুদ্রের উপর থেকে উঠে আসছে। যার রয়েছে অপরিমেয় শক্তি যার বলে সে সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে দাসে পরিণত করবে। ভালো মানুষদের হত্যা করবে এবং লোকজনকে ঈশ্বরের পথ থেকে বিচ্যুত করবে এবং মানুষের ডান হাতে ও কপালে শয়তানের চিহ্ন ধারণ করতে বাধ্য করবে। বুক অফ রিভেলেশন 13 তম অধ্যায় 18 তম লাইনে আছে ".... Let the one who has understanding calculate the number of the beast, For it is the number of a man, and his number is 666." লক্ষ্য করুন এখানে জন কিন্তু কোন শয়তানের কথা বলেননি, বলেছেন একটি মানুষের কথা। তাহলে কে সে? বিশেষজ্ঞরা সকলেই একমত বুক অফ রিভেলেশন এ John তার এই কথাগুলি দ্বারা রোমান সাম্রাজ্য কে ইঙ্গিত করেছেন। পশু বলতে এখানে রোমান সাম্রাজ্য কে বোঝানো হয়েছে। পশুর অনেকগুলো মাথা বলতে এখানে আসলে রোমান সাম্রাজ্যের শাসকদের কে বোঝানো হয়েছে। আর 666 হল সকল রোমান সম্রাটদের মধ্যে নিকৃষ্টতম সম্রাট Nero র সিক্রেট কোড। গ্রিক নাম Neron Caesar যা তার সময় প্রচলিত মুদ্রা থেকে পাওয়া যায়। যাকে হিব্রু ভাষায় বানান করলে পাওয়া যায় נדון קסר


প্রথম শতকে গ্রীক এবং ইহুদীরা বিশ্বাস করত যে প্রত্যেকটি অক্ষর  আলাদা আলাদা ভাবে ১টা সংখ্যাকে নির্দেশ করে যেগুলোর মান বা ভ্যালু যোগ করলে দাঁড়ায় 666 ।


সংখ্যার এই রূপক ব্যবহার টা শুনতে অদ্ভুত লাগলেও বিশ্বাস করুন প্রাচীনকালে এই রূপক সংখ্যার ব্যবহারটা তখনকার মানুষ হরহামেশাই করত। আর এটাকে "Gematria" বলা হয়। আর এসকল রুপক  সংবাদ গুলো তখনকার দিনে দেওয়ালে লিখে রাখা হতো। যেমন- 'I love the woman whose number is 545' খ্রিস্টীয় ইতিহাসের প্রথম দিক থেকেই Nero কে প্রবল অত্যাচারী এবং কুচক্রী শাসক হিসেবে দেখা হতো যিনি হাজার হাজার খ্রিস্টান কে পুড়িয়ে মেরে ছিলেন। বুক অফ রিভেলেশন গ্রন্থখানি যিনি লিখে থাকুন না কেন তার যে রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা বিরূপ ধারণা ছিল এটা স্পষ্ট হয়ে যায়। এবং তিনি যে সম্রাট Nero কে একজন অত্যাচারী শাসক হিসেবে পৃথিবীর বুকে তুলে ধরেছিলেন এটাও সত্য। আমরা জানি না প্রকৃতপক্ষে কেন বিশেষজ্ঞরা মনে করতেন যে এই বইটি লিখিত হয়েছিল Nero অত্যাচারের এই ঘটনার ঠিক পরেই। আবার অনেকেই মনে করে থাকেন যে এই বইটি লিখিত হয়েছিল খ্রিস্টীয় প্রথম শতকের দিকে। সে যাই হোক এই 666 এবং নীরব শাসকের মধ্যে একটি সূত্র পাওয়া যায় বুক অফ রিভেলেশন এর 13 তম অধ্যায়ের তিন নম্বর লাইনে যেখানে জন বলেন, "one of its head seemd to have mortal wound but its mortal wound was healed." ইহুদিদের মতে পৃথিবীর শেষ দিবসে Nero বা তার মতো কেউ আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে। এবং পৃথিবীতে এক মহা ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। যাইহোক 666 বলতে বোঝানো হয়েছে শয়তান বা ডেভিলের অধীনে মানব রচিত শাসনব্যবস্থা(জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস)-র পরিপূর্ণতা যা ঈশ্বর প্রদত্ত শাসনব্যবস্থা বা সিস্টেম এর সম্পূর্ণ বিপরীত।  পবিত্র বাইবেলের 6 সংখ্যাটিকে অসম্পূর্ণতা অথবা অপূর্ণতার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে যেটি পূর্ণ সংখ্যা 7 (লাকি সেভেন) এর থেকে 1 কম। পৃথিবীতে মানব রচিত সিস্টেম বা ব্যবস্থা আবার তিনটি অংশে বিভক্ত যার প্রত্যেকটি অংশের সংখ্যাতাত্ত্বিক মূল্যমান 6 আর এই তিনটি অংশকে একত্রিত করলেই দাঁড়ায় 666। 

আরো ব্যাখ্যা করতে গেলে বলা যায় 666 সংখ্যাটির প্রথম 6 এর মানে হলো শয়তান দ্বারা পরিচালিত শয়তানের অধীনস্থ মিথ্যা ধর্ম(মানব ধর্ম)এর প্রচার এবং প্রসার।  যার অর্থ হলো শয়তান হল এই পৃথিবীর ঈশ্বর। যীশু খ্রীষ্টের পৃথিবীতে পুনর্বার আগমনের পূর্ব পর্যন্ত শয়তানকে পৃথিবীর সকল মানুষকে বিপথে নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে।  দ্বিতীয় 6 এর মানে হলো পৃথিবীর প্রতারক আর মিথ্যাবাদী সরকার। তৃতীয় 6 এর অর্থ হল সারা পৃথিবীব্যাপী মানবজাতির জন্য একটি আত্মকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার(পুঁজিবাদ) সৃষ্টি করা। কী প্রিয় পাঠক! কী বুঝলেন আমাদের বর্তমান পৃথিবীতে কী এর সবগুলোই এখন নেই?  রাষ্ট্র থেকে ধর্মীয় শাসন বিতাড়িত করে সেখানে গণতন্ত্র, আর এর ধারক মিথ্যাবাদী শাসক, আর তার বাহন পুজিবাদ কী এখন সারা পৃথিবীতে বিরাজ করছেনা? খ্রিষ্টীয় বিশ্বাসে এই 666 হল এন্টিক্রাইস্ট আর ইসলামী বিশ্বাসে দাজ্জাল এর রুপক সংখ্যা।

'666' এর বিষয়টি আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্মে সরাসরি কোন খানে না আসলেও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) বলেন, “দাজ্জাল পৃথিবীতে ৪০ দিন অবস্থান করবেন। এর একদিন এক বছরের সমান, একদিন এক মাসের সমান, একদিন এক সপ্তাহের সমান। বাকি দিনগুলি তোমাদের দিনের মতো।” (আল হাদিস)
এখানে, আমরা একটা টাইমফ্রেম পাই। দাজ্জাল যখন আমাদের সামাওয়াত অর্থাৎ আমাদের ডাইমেনশনে আসবে তখন আমরা তাকে দেখতে পাব। আর নবীজি (সা) বলে গেছেন যে, দাজ্জাল হবে একজন কোঁকড়ানো চুলবিশিষ্ট ইহুদি যুবক আর তার অর্থোডক্স ইহুদিদের মত লম্বা চিপ থাকবে। তখন তার দিনগুলি হবে আমাদের দিনের মত। কেন? কারণ তখন সে আমাদের টাইম এন্ড স্পেস বা আমাদের সামাওয়াতে অবস্থান করবে।
কিন্তু আমাদের ডাইমেনশনে আসার আগে দাজ্জাল তিনটি স্টেজ পার করবে। তিনটি শেডো অফ ডার্কনেস। হাদিসে একে বলা হয়েছে,
(১) একদিন এক বছরের সমান,
(২) একদিন এক মাসের সমান,
(৩) একদিন এক সপ্তাহের সমান।

আর বাইবেলে একে প্রকাশ করা হয়েছে 666 দ্বারা।
(১) 600
(২) 60
(৩) 6

এই তিনটি সময়ে দাজ্জাল তার মানুষরূপে পৃথিবীতে আগমনের জন্য পৃথিবীকে প্রস্তুত করবে। কীভাবে? অন্য সামাওয়াত থেকে তার আর্মিদের দ্বারা যাদেরকে আমরা বলতে পারি, দাজ্জালস ওয়ারিওরস বা দাজ্জালের যোদ্ধাদল।

দাজ্জাল কোথা থেকে তার কার্যক্রম শুরু করবে সেটা তামিম আদ দারির (রা) হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, দাজ্জাল একটি আইল্যান্ড অর্থাৎ দ্বীপে বন্দী রয়েছে। সেই দ্বীপে আল জাসসাসা বা গোয়েন্দা রয়েছে। অর্থাৎ সেই দ্বীপ গোয়েন্দাগিরির জন্য বিখ্যাত হবে। কোন দ্বীপ সেটা? সেটা হলো ব্রিটেন। দাজ্জাল তার কার্যক্রম শুরু করে ব্রিটেন হতে। অর্থাৎ ব্রিটেন সমগ্র বিশ্ব শাসন করবে।

এবার আমরা এনালাইসিস করতে পারি, দাজ্জালের শেডো অফ ডার্কনেসের সময়গুলোকে।

(১) দাজ্জালের একদিন এক বছরের সমান = বাইবেলের ৬৬৬ এর ৬০০ = একটি বৃহৎ সময় = প্যাক্স ব্রিটানিকা = দাজ্জাল ব্রিটেনের দ্বারা বিশ্ব শাসন করবে।
(২) দাজ্জালের একদিন এক মাসের সমান = বাইবেলের ৬৬৬ এর ৬০ = প্রথম পর্যায়ের চেয়ে কিছু কম সময় = প্যাক্স আমেরিকানা = দাজ্জাল আমেরিকা দ্বারা বিশ্ব শাসন করবে।
(৩) দাজ্জালের একদিন এক সপ্তাহের সমান = বাইবেলের ৬৬৬ এর ৬ = খুব কম সময় = প্যাক্স জুদাইকা = ইজরায়েল বিশ্ব শাসন করবে।

এই তিনটি পর্যায় কমপ্লিট হওয়ার পর দাজ্জাল মানুষ হিসেবে জেরুজালেম থেকে নিজেকে মসীহ ঘোষণা করবে অর্থাৎ খুরুজ অফ দাজ্জাল সংগঠিত হবে।

আমরা এখন প্যাক্স আমেরিকানা থেকে প্যাক্স জুদাইকার দিকে যাচ্ছি। কিন্তু প্যক্স ব্রিটানিকা থেকে প্যাক্স আমেরিকানায় আসতে দুইটি বিশ্বযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে। প্যাক্স আমেরিকানা থেকে প্যাক্স জুদাইকায় যেতেও বৃহৎ বিশ্বযুদ্ধ সংগঠিত হবে। কেন? ইজরায়েল যদি জেরুজালেম থেকে বিশ্ব শাসন করতে চায়, সেটা অনেক কঠিন। কারণ, পৃথিবী এত বিশাল! আর ইজরায়েল কত ছোট! হয় ইজরায়েলকে তার সীমানা প্রসারিত করে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের মত বিরাট হতে হবে অথবা বিশ্বকে ছোট হয়ে আসতে হবে। নিউক্লিয়ার বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বকে ছোট করে ফেলবে যা ইজরায়েলের পক্ষে শাসন করা মেনেজেবল হবে।

দুই চোখের মাঝখানে কাফির এবং 666 এর রহস্য
--------------------------------------------------------
.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ ) বলেছেন, “আল্লাহ তা’আলা তারপর প্রতিটি মানুষকে তার ঈমান প্রদর্শনের নিমিত্তে প্রত্যেকের দুই চোখের মাঝখানে এক আলোর দ্যুতি স্থাপন করলেন এবং সকল মানুষের এই অবস্থাকে আল্লাহ তা’আলা আদমকে দেখালেন। অসংখ্য মানুষের দু’চোখের মাঝখানে আলোর দ্যুতি ছড়ানো এ দৃশ্য আবলোকন করার পর আদম শ্রদ্ধামিশ্রিত ভয়ে ভীত হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আমার প্রতিপালক, ঐসব মানুষ কারা?’ আল্লাহ তা’আলা তাকে বললেন যে তারা সকলে তার (আদমের) বংশধর। অতঃপর আদম একজন মানুষের খুব কাছাকাছি এসে এক ব্যক্তির দু’চোখের মাঝাখানের আলোর দ্যুতি দেখে বিস্মিত হয়ে আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে আল্লাহ বললেন, ঐ ব্যক্তি হচ্ছে দাউদ, যিনি তোমার বংশধরদের মধ্যে শেষ জাতির অন্তর্ভুক্ত।.....।” -(তিরমিযি)
.
দাজ্জাল সম্পর্কে হাদিসে এসেছে তার দুই চোখের মাঝখানে কাফির লেখা থাকবে। যা প্রত্যেক মুমিন পড়তে পারবে,হোক সে অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন অথবা নিরক্ষর। (মুসলিম; মুসনাদে আহমদ-১৪৯৯৭)
দাজ্জাল হল ভণ্ড মসিহা, যাকে ইয়াহুদিরা সত্য মাসিহা মনে করবে। তারা বলে দাজ্জালের নাম হল মসিহা বিন দাউদ (দাউদের পুত্র মাসিহা)। যে দাউদ আলাহিস সালামের দু’চোখের মাঝখানে ঈমানের নূরের দ্যুতি চমকাচ্ছিল তাদের দাবী অনুসারে তার পুত্র হবে দাজ্জাল। আমরা জানি ইমানের আলো তো খুব দুরের কথা বরং তার মাথায় কাফির লেখা থাকবে।
.
খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস হল দাজ্জাল বা এন্টিক্রাইস্টের মাথায় 666 লেখা থাকবে, এবং সে তার অনুসারীদের দুই চোখের মাঝখানে এবং ডান হাতের তালুতে এই 666 এর সীল মেরে দিবে।
“৭ নং সংখ্যা হল উৎকৃষ্টতার ও সম্পূর্ণতার প্রতীক যা ঈশ্বরকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে সংখ্যা ৬ মানুষকে নির্দেশ করে কারণ ঈশ্বর ষষ্ঠ দিন মানুষকে সৃষ্টি করেছিলেন। 666 হল বিস্টের প্রতীক এবং এটার দ্বারা ঐ সকল মানুষকে বুঝানো হয় যারা অহংকারবশত নিজেকে ঈশ্বরের একটি অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছে।” ---(Is the age of the Antichrist, Martyrdom, Rapture and The Millennial Kingdom coming? (II)- Paul C. Jong)
.
রেভেলেশান ১৩:১ থেকে বুঝা যায় এই 666 বা এন্টি-ক্রাইস্ট (দাজ্জাল, যে নিজেকে ঈশ্বর সাব্যস্ত করতে চাইবে) সে অনেক মিরাকল করবে, মৃতকে জীবিত, আকাশ থেকে অগ্নিবর্ষণ করাবে যাতে মানুষরা তাকে অনুসরণ করে। Paul C. Jong একটু গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “অন্যভাবে বলতে গেলে, শয়তান মানুষকে দাজ্জালের এমন অনুসরণকারী বানাবে যে পূর্বে মানুষ ঈশ্বরকেও এভাবে অনুসরণ করেনি”
.
যাইহোক, যে সকল মানুষের কাছে 666 মার্ক (সীল) থাকবে না, তাদের প্রতি কোন রহম করা হবে না, তাদের উপর যুলুম করে হত্যা করা হবে, তাদেরকে কোন প্রকার লেনদেন করার অনুমতি দেয়া হবে না। আমরা যখন কোণ ব্যক্তি, সংস্থা, কোম্পানি বা রাষ্ট্রকে যখন 666 বা পিরামিড ইত্যাদি সাইন ব্যবহার করতে দেখি তখন এটা স্পষ্টই বুঝাচ্ছে এরা হল দাজ্জালের অনুসারী, বা কোন মাধ্যমে দাজ্জাল থেকে এই চিহ্ন পেয়েছে। এরাই দাজ্জালের জন্য অপেক্ষারত, দাজ্জালের পূজারি, তার পথ সুগমকারী। এরা আজ বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ইউরোপ আমেরিকার শাসক থেকে তাদের যাজক পর্যন্ত, সাধারণ মানুষ থেকে আইডল, মিলিনিয়ার বা স্টার পর্যন্ত, ছোট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি পর্যন্ত এই 666 প্রতীক বহনকারী রয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Infotech Post Bottom Ad New

Pages