ভীনগ্রহের বাসিন্দাদের( এলিয়েন) অস্তিত্ব সম্পর্কে যে আলামতগুলো আজও বিজ্ঞানীদের বিষ্মিত করে ! অনাগত ভবিষ্যতের পানে............. - জীবন গড়ি প্রযুক্তির সুরে ♫

Infotech Ad Top new

Infotech ad post page Top

ভীনগ্রহের বাসিন্দাদের( এলিয়েন)  অস্তিত্ব সম্পর্কে যে আলামতগুলো আজও বিজ্ঞানীদের বিষ্মিত করে ! অনাগত ভবিষ্যতের পানে.............

ভীনগ্রহের বাসিন্দাদের( এলিয়েন) অস্তিত্ব সম্পর্কে যে আলামতগুলো আজও বিজ্ঞানীদের বিষ্মিত করে ! অনাগত ভবিষ্যতের পানে.............

Share This
বিশাল বৈচিত্রে ভরা এই বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডের মাঝে শস্য-দানা হতেও ক্ষুদ্রাতিক্ষদ্র পৃথিবী নামক এক ছোট্ট গ্রহের বাসিন্দা আমরা। সীমাহীন আকাশের দিকে তাকিয়ে ব্যর্থ দৃষ্টি যখন হার মেনে ফিরে আসে নিজের দিকেই তখন মনে হয়, পরাজিত এই আমি আর কতদুর এগুবো? সৃষ্টির আদিতে থেকেই  আমাদের জানার আকাঙ্খার শেষ নেই। কোথায়, কখন,কেন,কিভাবে? এই চারটি  প্রশ্নই যেন আজ মানুষকে  দাড় করিয়ে দিয়েছে সভ্যতার এ চুড়ান্ত সীমায়। মানুষ এখন শুধু আর এ সীমার মাঝে থাকতে চায়না। পৃথিবীর গন্ডি পেরিয়ে আজ তাই দৃষ্টি মহাশুন্যের পানে। মনে তার একটা্ই জিজ্ঞাসা বিশাল এই আকাশ-গঙ্গায় একমাত্র পৃথিবীই কী প্রানের আধার, না এই পৃথিবী ছাড়াও অন্য কোন গ্রহে অন্য কোথাও রয়েছে

প্রাণের অস্তিত্ব! বিজ্ঞানীদের গবেষনা ও বেশ কিছু জোরালো প্রমান মানুষের এই জানার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুনে। আসুন আজ আমরা জানব যে ১৭ টি যুক্তি বা আলামত এলিয়েনদের অস্তিত্বের প্রমানকে আরও জোরালো করে তুলেছে সেগুলো সম্পর্কে। বিজ্ঞানীরা কেন হন্যে হয়ে খুজছেন এলিয়েনদের.....

যুক্তি-১ঃ  NASA/ ESA/ Hubble Heritage Team

সম্প্রতি রাশিয়ান ধনকুবের য়্যরি মিলনার ব্রিটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসের সাথে মহাকাশে প্রানের সন্ধান আবিস্কার ও তাদের সাথ যোগাযোগ করার উদ্দেশ্যে একটি চুক্তি করেছেন। এলিয়েনদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মাঝে বহু শত শত বছর ধরে বহু বিতর্কে র অবতারনা হলেও এবিষয়টি নিয়ে তারা কোন সিদ্ধান্তে আজও পৌছাতে পারেন নি। কিন্ত কিছু কিছু আলামত আজ বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে যা তাদের অস্তিত্বের দাবী আর ও জোরালো করে।

যুক্তি-২ঃ  নেপোলিয়ান বোনাপার্টির মস্তিষ্কে মাইক্রোচিপ !

বিজ্ঞানীগন ফ্রান্সের সাবেক শাসক নেপোলিয়ান বোনাপার্টির মাথার খুলির পর্যবেক্ষন করতে গিয়ে একটি ছোট্ট অর্ধ ইঞ্চির সমান চিপ সদৃশ বস্তু খুজে পান যা আজও রহস্য হয়ে আছে। নেপোলিয়ান বলেছিলেন যে, ‘১৭৯৪ সালে যখন তিনি বেশ কিছুদিনের জন্য নিরুদ্দেশ ছিলেন, ঐ সময়টাতে তিনি কিছু অদ্ভৎ আকৃতির মানুষ কর্তৃক ধৃত হয়ে বন্দি ছিলেন। কী ভাবছেন এটা কি কোন কাকতালিয় ঘটনা? সম্ভবত নয় !


যুক্তি-৩ঃ মিশরীয় শিলালিপি হায়ারোগ্লিফিক্সঃ 

মিশরীয় শিলালিপি ঘেটে দেখা যায় যে, এলিয়েনদের ব্যবহৃত যান সদৃশ কিছু বস্তু যাতে করে তারা (এলিয়েন) মিশরের নীল-নদের উপত্যকা উক্ত সময়ে পরিভ্রমন করেছিল।  


যুক্তি-৪ঃ স্কটল্যান্ডের বনি ব্রীজ, এ যেন এলিয়েনদের দ্বিতীয় আবাসভুমি!

স্কটল্যান্ডের বনি ব্রীজ যাকে ইউএফও-র রাজধানী বলে আখ্যা দেওয়া হয়! এখানে বছরে গড়ে প্রায় কম করে হলেও ৩০০ বার এই এলাকা বা এর পার্শ্ববতী এলাকাগুলোতে ইউএফও(UFO= Unidentified Flying Objects) পরিলক্ষিত হয়। সম্পতি ব্রিটিশ ন্যাশনাল আর্কা্ইভ সম্পতি তাদের এক রিপোর্টে এ তথ্য দেয়।


যুক্তি-৫ঃ  এলিয়েনদের অস্তিত্ব!

ব্রিটিশ বিজ্ঞনীদের একটি দল ২০১৩ সালে বায়ুমন্ডলের একটি স্তর স্টাটোস্ফিয়ারের উপরিভাগ একটি বেলুন পাঠিয়েছিলেন গবেষনার জন্য, তারা ব্যাথিত হলেন যখন তারা দেখলেন তাদের পাঠানো বেলুনটি পুনরায় ফিরে এসেছে আর তাতে রয়েছে অসংখ্য ক্ষদ্র ক্ষুদ্র জীবন্ত অনুজীব। বিজ্ঞানীরা্ এর দারা প্রভাবিত হয়ে বলে বসলেন এ অনুজীবগুলো নিশ্চিতভাবে মহাকাশেই উৎপত্তি হয়ে থাকবে। 


যুক্তি-৬ঃ জুপিটারের (বৃহষ্পতি গ্রহ) চাদ ইউরোপা যা আজও রহস্যময়!

সম্প্রতি এক গবেষনায় দেখা যায় যে, জুপিটার নামক গ্রহের একটি চাদ ইউরোপা যাতে হিমায়িত লাল ব্যাক্টেরিয়ার অস্তিত্ব থেকে থাকতে পারে। এ তথ্য বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে, তারা ধারনা করছেন, এখানে কোন প্রানের উন্নত রুপ থাকলেও থাকতে পারে।


যুক্তি-৭ঃ  শুক্রের বুকে কাকড়া বা বিছা জাতীয় প্রানী !

ভেনেরা ১৩ কর্তৃক পাঠানো ছবি পর্যবেক্ষন করে রাশিয়ার মহাকাশ বিজ্ঞানী Leonid Ksanfomaliti দাবী করেন যে শুক্র গ্রহের বুকে কাকড়া বা বিছা জাতীয় প্রানী থাকার সম্ভাবনা প্রবল।


যুক্তি- ৮ঃ এলিয়েনদের ফসিল বা জীবাশ্ম !

গবেষকগণ এন্টার্কটিকা মহাদেশে একটি মার্টিআন শিলা পেয়েছিলেন এবং দাবী করেছিলেন যে, এতে ফসিলাইজড নানো ব্যাক্টেরিয়া রয়েছে, এই ঘটনাটি বিজ্ঞানীদের মনে এধারনার জন্ম দেয় যে, প্রায় বিলিয়ন বছর পুর্বে পতিত এ পাথরে প্রানের অস্তিত্ব ভিন্ন গ্রহে প্রানের অস্তিত্ব সপক্ষে একটি বড় যুক্তি।


যুক্তি-৯ঃ  রহস্যময় বার্তা !

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়ো ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা একটি রেডিও সিগনাল পেয়েছেন যেটি প্রায় ২০০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ মহাকাশ দুরুত্ব পাড়ি দিয়ে এ পৃথিবীতে পৌছেছে যা নিয়ে বিজ্ঞানীগন রীতিমত হতচকিত। এর উৎস্য এখনও বিজ্ঞানীদের নিকট একটি গোলক ধাধা।


যুক্তি-১০ঃ মঙ্গল গ্রহে প্রান ! 

মঙ্গল গ্রহে প্রানের অস্তিত্ব নিয়ে কতটা হলিউড মুভিই না আমরা দেখেছে। সব সময় মঙ্গল গ্রহ একটি আলোচিত গ্রহ! সম্প্রতি রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা একটি  দুর্লভ ক্ষুদ্র অনুজীবের সন্ধান পেয়েছেন যা যে কোন রকমের বড়সড় বিপজ্জনক রেডিয়েশনের মধ্যেও নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম। পৃথিবীর বুকে পাওয়া  এই একমাত্র অনুজীব যা সম্ভবত মঙ্গল গ্রহে উৎপত্তি হয়ে থাকতে পারে বলে তাদের ধারনা।  


যুক্তি-১১ঃ মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়ায় মিথেন গ্যাস ! 

আমরা জানি কেবল জীবন্ত কোন কিছুর কারনেই মিথেন গ্যাস উৎপাদিত হয়। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহে প্রচুর ‍মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করেছেন যা শত শত বছর ধরে চলে আসা মঙ্গল নিয়ে মানুষের রুপকথাকে আবার সত্যের রুপ দিতে চেষ্টা করছে। 


যুক্তি-১২ঃ এলিয়েন এম্বাসেডর !

মালয়েশিয়ার  জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাজলান ওসমান United Nations office of outer space Affairs (UNOOSA) এর একজন ডিরেক্টর যিনি মহাকাশ সম্পর্কিত বিষয়াদি দেখা শোনা করেন। যদি কখনো ভীনগ্রহের বাসিন্দারা মানবজাতির সাথে যোগা-যোগ করে সেজ্ন্য তাকে মানূষ ও ভীনগ্রহের আগন্তুকদের মাঝে সমন্বয় কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যুক্তি-১৩ঃ মনুষ্য বিমানের সাথে সংঘর্ষ

আকাশের বিমানের সাথে বিমানের সংঘর্ষ খুব একটা চোখে পড়ে না। সম্প্রতি একজন পাইলট আকাশে উড্ডয়নের সময ডেল্টা বা ব আকৃতি একটি বস্তু দেখতে পান, যে টি তার একেবারে পাশ ঘেষে চলে যায় পরে এটি সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য মেঘের নিকট অদৃশ্য হয়ে যায়।

যুক্তি-১৪ঃ Drake সমীকরণ!

আমাদের এই গ্যালাক্সি, ছায়াপথে রয়েছে প্রায় ৪০০ বিলিয়ন নক্ষত্র যার  প্রায় অর্ধেকের কমপক্ষে একট গ্রহ আছে যা সেটিকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিন করছে। আমেরিকান মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী Dr. Frank Drake তাই একটি চমৎকার যুক্তির অবতারনা করেন, তিনি বলেন- এসকল গ্রহে মহাজাগতিক প্রানির একটি উন্নত সভ্যতার উপস্থিতি থাকাটা আশ্চর্যে কিছু নয়।

যুক্তি-১৫ঃ  Erie Morning News এর রহস্যভরা গল্প !

১৯৬৬ সালের ১ লা আগস্ট Erie Morning News উল্লেখ করে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেন্সিলভ্যানিয়ার Presque Isle State Park এ একটি ইউএফও দৃশ্যমান হয় যখন বেটি ক্লেম নামের একজন মহিলা সেটিকে তার থেকে প্রায় ৭০০ গজ দুরে অবতরন করতে দেখেন।

যুক্তি-১৬ঃ  চাদে ইউএফও !

মার্কিন মহাকাশচারীরা যখন এপোলো ১১ চড়ে চাদের বুকে অবতরন করেন তখন তারা একটি ইউএফও দেখতে পান। প্রথমে তারা এটিকে তাদের এপোলো ১১ এস সাথে সংযুক্ত এস.আই.ভি রকেট হিসাবে মনে করেন। পরে তাদের ভুল ভা্ঙ্গে যখন তারা নিশ্চিত হন এ বস্তুটি তাদের থেকে ৬০০০ মাইল দুরের কোন এক বস্তুু। এই ঘটনাটি আজও বিজ্ঞানীদের নিকট একটি রহস্য হয়ে আছে। 


যুক্তি ১৭ঃ এলিয়েনরা আমাদের সাথে যোগা-যোগের চেষ্টা করছে !

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা দশকের পর দশক ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছেন এলিয়েন দের সাথে যোগা-যোগের। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রেডিও বার্তা বা সিগনাল মহাশুন্যে পাঠিয়ে আসছেন প্রতিনিয়ত। সবচেয়ে আশ্চর্যের ঘটনাটি ঘটে ২০০৪ সালে যখন বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেন একটি রহস্য একটি রেডিও বার্তা তাদের রাডারে ধরা পড়ছে যা ক্রমশ জোরালো থেকে জোরালোতর হচ্ছে।  বিজ্ঞানীর ধারনা করছেন হয়তবা এলিয়েনরা আমাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। 




No comments:

Post a Comment

Infotech Post Bottom Ad New

Pages