মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সমসাময়িক কালে নির্মিত বাংলাদেশের একটি মসজিদের কথা শুনুন--- এক অজানা কাহিনী! - জীবন গড়ি প্রযুক্তির সুরে ♫

Infotech Ad Top new

Infotech ad post page Top

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সমসাময়িক কালে নির্মিত বাংলাদেশের একটি মসজিদের কথা শুনুন--- এক অজানা কাহিনী!

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সমসাময়িক কালে নির্মিত বাংলাদেশের একটি মসজিদের কথা শুনুন--- এক অজানা কাহিনী!

Share This
সবাইকে ইনফোটেকলাইফ.কমের পক্ষ থেকে আপনাদের জা্নােই হাজারও সালাম। কেমন আছেন সবাই আজ আমি আপনাদের ভিন্ন স্বাদের খবর দেব। আমরা আমাদের দেশ সম্পর্কে সবাই মুটামুটি জানি। জানি আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে তবুও বোধ করি  অনেক কিছু আমাদের অগোচরে রয়েগেছে। আপনাকে বা কোন মানুষকে যদি জিঞ্জেস করাহয়-”এই মুহুর্তে  পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত ধর্ম কোনটি?”  যে কোন মানুষই হয়তবা একটু চিন্তা করবেন আর বলবেন, সই ধর্ম হল ইসলাম ধর্ম । যুগে যুগে  ইসলাম ধর্ম মানুষ দিয়ে আলোর পথ। আজও বিজ্ঞান ও যান্ত্রিকতার যুগে যখন অন্যান্য ধর্মের আবেদন যখন হারিয়ে যেতে বসেছে, তখন ইসলাম নামের এই মহান ধর্মে র ছায়ায় এসে হাজারো অবিশ্বাসী পেয়েছে তার অন্তরা-আত্মার ক্ষুধা মেটানোর জায়গা। আজ আপনাদের জানাব ইসলামের স্বর্ণ যুগ অর্থাৎ প্রিয়


নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মগ্রহণের ৫০ অথবা তৎপরবর্তী সময়ে বালাদেশে নির্মিত একটি মসজিদের কথা। মুলতঃ এসময়েই বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। বর্তমান বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায় আনুমানিক ৬২০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল। যার প্রমাণ মিলেছে বিভিন্ন ইসলামিক গবেষণার মাধ্যমে। লাল মনিরহাট জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস গ্রামের “মজেদের আড়া” নামক জঙ্গলে ১৯৮৭ সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল প্রাচীন একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। জঙ্গলটি খনন করে একটি ইট পাওয়া যায়। এতে কালেমা তায়্যিবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে। হিজরি ৬৯ অর্থ হলো ৬৯০ খ্রিস্টাব্দ।


রংপুর জেলার ইতিহাস” গ্রন্থ হতে জানা যায়, রাসূল (সা.)-এর মামা তথা বিবি আমেনার চাচাতো ভাই আবু ওয়াক্কাস (রা.) ৬২০-৬২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন (পৃ. ১২৬)। অনেকে অনুমান করেন যে, ৬৯০ খ্রিস্টাব্দের মসজিদটি আবু ওয়াক্কাস (রা.) নির্মাণ করেন। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ও প্রাচীন এই মসজিদটির উত্তর-দক্ষিণে ২১ ফুট এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১০ ফুট। মসজিদের ভিতরের পুরুত্ব সাড়ে ৪ ফুট। মসজিদে চার কোণে অষ্টকোণ বিশিষ্ট স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের ধ্বংসাবশেষ হতে পাওয়া যায় গম্বুজ ও মিনারের চূড়া (রংপুর জেলার ইতিহাস, পৃ. ১৬৪)। মতিউর রহমান বসনীয়া রচিত রংপুরে দ্বিনী দাওয়াত গ্রন্থেও মসজিদের এ মসজিদের বিশদ বিবরণ রয়েছে। লাল মনিরহাট জেলার এ প্রাচীন মসজিদ ও এর শিলালিপি দেখে আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে, বখতিয়ার খলজীর বাংলা বিজয়ের (১২০৪ খ্রি.) ছয়শ’ বছর আগেই বাংলা অঞ্চলে সাহাবী আবু ওয়াক্কাস (রা.) দ্বারা ইসলামের আবির্ভাব হয়েছিল। আমরা যখন ইতিহাস ঐতিহ্যকে রক্ষার কথা বলি তখন, আসলে আমাদের একান্ত নিজস্ব বলে যে ইতিহাস তা কখনো রক্ষা করা বা রক্ষার চেষ্টা কখনো আদৌ করেছি কী? এ প্রশ্ন আজ আমাদের সকলের সকলের। সবাই ভাল থাকবেন। আজকের লেখাটি মুলত আপনাদের জন্য সংগৃহীত আপনাদের ভাল লাগলেই তা আমাদের স্বার্থকতা।

No comments:

Post a Comment

Infotech Post Bottom Ad New

Pages