Subcribe to our RSS feeds Join Us on Facebook Follow us on Twitter Add to Circles

পৃষ্ঠাসমূহ

.

সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

পৃথিবীর বিশ্ময় ও আশ্চর্য..... পার্ট-১: আজকের বিষয় পৃথিবীর ভৌগলিক আশ্চর্য !

১) The Wave (between Arizona and Utah - USA)


এইটা একটা লাল রং এর শিলা যার বয়স ১৯০ মিলিয়ন বছর। সে সময় এটা একটা বালিযারি ছিল যা সময়ের আবর্তে কঠিন শিলায় পরিনত হয়েছে। এটা এতোটাই দুর্গম যে এখানে গাড়ি বা অন্য কোন যানবাহন যেতে পারে না, যেতে হয় ৩ মাইল কষ্টকর হাইকিং করে। যাওয়ার আমন্ত্রন রইলো

২) Antelope Canyon (Arizona - USA)


এরিজোনা তে অবস্থিত এই খাদটি সবচেয়ে বেশী পর্যটক অধিষ্যুত এলাকা। এর দুইটা অংশ উপরের অংশের নাম "Tse' bighanilini", এর মানে হইলো, "পাথরের ভিতরের দিয়ে পানি প্রবাহিত হয় যে জায়গায়", নিচের অংশের নাম "Hasdestwazi", এর মানে হইলো "সর্পিল সাপের শিলা"। ওয়ান অফ মোষ্ট ফটোজেনিক প্লেস অফ দি আর্থ।

৩) Great Blue Hole (Belize)


বাতিঘর রীফ সিস্টেমের অংশ, "গ্রেট ব্লু হোল" বেলিজ শহরের মূল ভূখন্ডের প্রায় 60 মাইল দুরে অবস্থিত এই গর্তটি আনুমানিক এক মাইল ব্যাসের, ৪৮০ ফুট (১৪৫ মিটার) গভীর এবং এই গভীরতার জন্য এই গর্তের রং গভীর নীল। পৃথিবীতে অদ্বিতীয় ড্রাইভিং সাইট হিসাবে এটা খুবই জনপ্রিয়। চলেন ডুব দেই।

৪) Crystal Cave of the Giants (Mexico)


দক্ষিণ চিহুয়াহুয়া মেক্সিকো মধ্যে একটি খনি অভ্যন্তরে গভীর পাওয়া গেছে এই ক্রিষ্টালের বার দ্বারা পূর্ন গহ্বর। এই ক্রিষ্টাল যতটা কঠিন, এর মাটি ততটাই নরম। এইখানে ঘুরাঘুরি করা খুবই রিস্কি। একটা ভয়াবহ নিউজ হলো এর চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে স্বর্ন,রুপা ও তামা। জায়গাটা ভুপৃষ্ঠের অনেক নিচে অবস্থিত। আল্লাহ আল্লাহ কইরেন যদি যাইতে মুন চায় ... :|:|

৫) Eye of the Sahara (Mauritania)




এই মৌরিতানিয়ার অন্তর্গত সাহারা মরুভূমির দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত 30 মাইল ব্যাসের ল্যান্ডফর্ম যা শুধু মহাশুন্য থেকেই দেখা যায়। এর গঠন দেখতে চোখের মত তাই একে "আই অফ সাহারা" বা "সাহারার চোখ" বলা হয়। ধারনা করা হয় একটি উল্কাপিণ্ড আঘাতে এর উৎপত্তি হয়েছিল কিন্তু এর সৃষ্টি এখনও একটি রহস্য। বিজ্ঞানীরা এখনও এর রহস্য উৎঘাটন করতে পারে নাই।

৬) Blue Lake Cave (Brazil)
 


ব্রাজিলের অনেক মুভিতে এই জায়গাটা দেখানো হয়। এক কথায় ভুগর্ভস্থ লেক! এত সুন্দর লেক আর কোথাও নাকি নেই। জিওলোজিকাল ইফেক্টের জন্য এর পানির রং অসাধারন নীল। প্রকৃতির খেয়াল !!! আমি যামু .... গোসল করমু ... এইখানে গোসল করতে টাকা লাগে না মাগার যাইতে টাকা লাগে। [স্পন্সর আবশ্যক]

৭) Giants Causeway (Ireland)
 


নর্থদান আয়ারল্যান্ডের সমুদ্রতীরে অবস্থিত। মাএ ৪০,০০০ পাথরের ব্লক পাবেন এখানে যা আগ্নেওগিরির লাভা থেকে গঠিত। কল্পনা করেন, আপনে আর সে, বসে আছেন এই সমুদ্রতীরে, দেখছেন সূর্যাস্ত, আহা লাইফ !!!

৮) Hell Gate (Turkmenistan)
 


তুর্কিস্থানের লোকালরা একে ডাকে "ডোর অফ হেল"। এইটা কিছুটা মানুষের তৈরি বলাও যায়। কাহিনী হইলো, কিছু জিওলজিষ্ট গ্যাসক্ষেএ খুজতাছিল। এমন সময় হঠাৎ করে সব ইকুইপমেন্ট সহ পুরো এলাকা নিচের দিকে ডেবে যায়। তখন তারা গ্যাসপূর্ন এই বিশাল গর্তটা আবিষ্কার করে। খুব বেশি দিন হয়নি, ৪০ বছর আগে। তো তারা মনে করলে যে যেহেতু গর্তটা গ্যাসপুর্ণ, আগুন লাগিয়ে দিলে গ্যাস গুলা জ্বলে শেষ হয়ে যাবে, তখন তারা গর্ত করে দেখবে নিচে গ্যাস ক্ষেএ আছে কি না। তাদের ধারনা ছিল নিচে খুব বেশি গ্যাস নাই, কিন্তু সব এক্সপার্টদের ভুল প্রমানিত করে এই বিশাল প্রকৃতিক চুলাটা আজ প্রায় ৪০ বছর ধরে জ্বলেই যাচ্ছে।

৯) Wave Rock (Australia)
 


ঢেওএর মত দেখতে এই পাথরটি আস্টেলিয়ায় অবস্থিত। এইটা ১৫ মিটার উচা ও ১১০ মিটার লম্বা। কেন এমন হলো বুঝলাম না, গুগোল ঘেটেও কিছু বের করতে পারলাম না।

১০) Chocolate Hills (Philippines)
 


আমি নিজেই ভাবছিলাম এইটা হয়তো ফটোসপ। কিন্তু এইটা ফটোসপ না। বোহাল, ফিলিপাইনে এই জায়গায় আপনে পাবেন ১২৬৮ টি "পার্ফেক্ট কোন সেপ" পাহাড়। এর নাম "চকলেট হিলস"। পুলাপান নিয়ে যেতে পারেন।

১১) Dry Valleys (Antartica)



এনটারটিকায় অবস্থিত এই জায়গা কে বলা হয়, পৃথিবীর বুকে মঙ্গল গ্রহের মত দেখা সবচেয়ে সামন্জস্যপূর্ণ এলাকা। এইটাই এন্টার্কটিকার একমাত্র জায়গা যেখানে তুষারপাত হয় না। এই জায়গার মাঝে যে লেকটা আছে তার কাহিনী হলো এর উপরে যে বরফ জমে থাকে তার পূরুত্ব কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়। আরো আছে, এই বরফের নিচের পানি খুবই লবনাক্ত এবং এই পানিতে যে এককোষী প্রানী বাস করে তার সাথে এই পৃথিবীর আর কোন প্রানীর মিল নেই!!!

১২) Socotra Island (Indian Ocean)



এখানে যদি আপনাকে ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে আপনি বিলিভ করবেন না যে আপনে পৃথিবীতে আছেন। নো ওয়ে। আপনার মনে হবে আপনে অন্য কোন গ্রহে চলে গেছেন।
ওকে, কিছু তথ্য দিচ্ছে, দ্বীপটি ৬-৭ মিলিয়ন বছর আগে মেইনল্যান্ড আফ্রিকা থেকে এর সকল রহস্য সাথে নিয়ে আলাদা হয়ে যায়। বর্তমানে এর অবস্থান ইন্ডিয়ান ওশানে, ২৫০ কিমি দূরে সোমালিয়া থেকে এবং ৩৪০ কিমি দূরে ইয়েমেন থেকে। এই দ্বীপে অনেকগুলো গুহা আছে যার কয়েকটা লম্বায় ৭ কিমি পর্যন্ত। এই গুহাগুলো কিভাবে হয়েছে জানেন, এগুলো হয়েছে স্যান্ডি নামক উপকুলীয় বাতাসের প্রবহের কারনে এবং এর সবচেয়ে বড় পাহাড় টি ১৫২৫ মিটার উচা। সবচেয়ে বড় চমক হলো এর অনেক গাছপালা, পশু প্রানীই ২০ মিলিয়ন বছর আগের!!!! অদ্ভুত, তাই না??? এই দ্বীপের ধুলাবালি ও সংরক্ষিত। যেতে পারবেন, ঘুরতে পারবেন কিন্তু কোন কিছু নষ্ট করতে পারবেন না। এমনকি ওখানে থাকতেও পারবেন না।

১৩) Rio Tinto (Spain)



এটা একটা ভূগর্ভস্থ নদী যা মাইন (রিও টিনটো)খননের সময় বের হয়ে আসে। এই মাইনটি ব্যপ্তি এতোটাই ব্যপক হয় যে এর আশেপাশের গ্রামগুলোকে অন্যত্র সড়িয়ে ফেলতে হয়। এবং বেশ কয়েকটি পাহাড়ও এই খননের মাঝে পরে জীবন হারায়। এই খননের প্যাটার্ন এতোটাই দৃষ্টিনন্দিত যে দেখলে মনে হবে আপনি চাঁদে আছেন। "রিও টিনটো" বলতে একটি মাইন, একটি নদী ও এই জায়গাকে বুঝায়। তো মাইনের কথা বললাম, জায়গার কথাও বললাম, এবার আসেন নদীর কথায়, এই নদীর পানিতে নামবেন এমন স্বপ্নেও ভাইবেন না। ঢুব দিবেন কিন্তু যখন পাড়ে উঠবেন তখন দেখবেন গায়ে শুধু হাড় রয়ে গেছে, মাংস-চামড়া নদী রেখে দিছে। এই নদীর পানি অত্যন্ত আম্লিক (pH-1.7-2.5) এবং ভারী ধাতু সমৃদ্ধ। ভাবতাছি বার্ষিক সাতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করলে কেমন হয় ???

১৪) Kliluk, the Spotted Lake (Canada)



"ক্লিলুক" সম্ভবত রেড ইন্ডিয়ানদের দেয়া নাম, "স্পটেট লেক" কাগুজে নাম। কাহিনী হইলো, গরমে এই লেকের পানি বাষ্পিভূত হয়, তখন পানিতে থাকা মেটিরিয়াল গুলা জমাট বাধে এবং সাদা রং এর গোল গোল সার্কেল তৈরি করে। এখন কথা হলো এর পানির কালার চেন্জ হয় কেমনে? ওয়েল, এর পানিতে ছোট ছোট উদ্ভিত কনা থাকে, তাদের কারনে এর রং কখনো হলুদ কখনো নীল কখলো সবুজ হয়। এর যাদুকরি ক্ষমতা আছে, তা হলো, রেড ইন্ডিয়ানরা এর পানি কাটা ছেড়ায় ব্যবহার করতো। মানে ঔষধ হিসাবে।

১৫) Salar de Uyuni (Bolivia)



আমার মনে হয় বলিভিয়াতেই দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি অপার্থিব ও দর্শনীয় ল্যান্ডস্কেপ আছে। এর ভিতর এই সল্ট লেক একটি। একে আপনি লবনের মরুভুমিও বলতে পারেন। একটু খটকা লাগতাছে? ওকে, পড়তে থাকেন, কাহিনী শুরু হইছিল ৪০,০০০ বছর আগে। তখন একটা প্রি-হিস্টরিক বিশাল লেক ছিল, নাম Lake Minchin, তো এই লেক যখন শুকায় গেল তখন দুইটা ছোট ছোট লেক ও দুইটা লবনের মরুভুমি বংশধর হিসাবে রেখে গেল। এর একটা হলো এই "সালার ডি ইউনি"। কি আছে এতে? শুধু লবন আর লবন, কত? হিসাবে ১০ বিলিয়ন টন, আর বছরে এখান থেকে উত্তোলন করা হয় ২৫০০০ টন। প্রমিস, আমরা লবনের অভাবে জীবনেও পড়বো না।

১৬) Vale da Lua (Brazil)



পৃথিবী সৃষ্টির সময়ের পাথর টাচ করতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে এখানে।  ও সুখবর এখানে আছে প্রকৃতিক সুইমিং পুল।

১৭) TheStone Forest (China)



চীনের সব কিছুই যেন কেমন কেমন... এই যেমন এইটা ... এই জঙ্গল হলো পাথরের ... এমন জঙ্গল দুনিয়াতে আর একটাও নাই। এর পরিচয়ই এর সবকিছু বলে-- ''First Wonder of the World"

১৮) Eisriesenwelt Ice Caves (Austria)



এর ব্যপারে বলতে হলে বলা হয় এটি হলো "Mother Nature's handicraft"।  এটি লম্বায় ৪০ কিমি কিন্তু এর অল্প একটুই টুরিষ্টরা দেখতে পারেন, আর তাতেই নাকি তাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।

সবাইকে শুভকামনা , আজ এ পর্যন্তই ...
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আইপি(IP) সমস্যার ধান, এক্ষনই Ojooo-তে একাউন্ট সাইন আপ করুন আর আয় করুন আজ থেকেই!

সকলকে আমার পক্ষ থেকে অনেক শুভেচছা, আশা করি সকলে ভাল আছেন, কিছু ব্যস্ততার কারনে লিখতে একটু দেরি হয়ে গেল।  আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।  আমরা অনলাইনে আয়ের সহজ পথ খুজতে থাকি অনবরত।  আসলে অনলাইনে আয়ের অনেক সহজ পথ আছে অনেক।  কিন্তু এতে আমাদের একটি সমস্যা ও আছে, আর তা হল আমরা সহজ অতি দ্রুত আয় করা যায় এমন সব পথ খুঁজে বেড়ায়।  আর এটা করতে গিয়ে আমরা কোন বাচ-বিচার না করেই কোন একটি প্লাটফরম সম্পর্কে না জেনেই হুট করে কাজ শুর করে দেই। এই যেমন ধরুন পিটিসি সাইটের কথায় বলি, যারা অনলাইনে নতুন তারা প্রথমে আয়ের মুখ দেখার জন্য এই সব পিটিসি সাইটের দিকেই বেশি ঝুকে পড়েন।  কিন্তু সমস্যাটা কোথায় জানেন এখানে বেশির ভাগ সময় যেটা হয়, একজন নতুন অনলাইনার চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে, আর ক্লিক Value বেশি দেখে হুট করে কাজ শুরু করে দেই।  রাত-দিন ষাঁড়ের মত খেটে যখন শেষে পেমেন্ট নিতে গেলেন তখন দেখলেন তখন তারা আর আপনাকে পেমেন্ট দিচ্ছে না।  আপনার সব মাটি হল তো? আর আমাদের দেশে Dolancer এ কাজ করে অনেক টাকা পয়সা বিনিয়োগ করে সর্বশান্ত হয়ে আজ কাল অনেকে বলা শুরু করেছেন সব পিটিসি সাইটকে ভাওতাবাজি মনে করেন।  এখানেই সমস্যা অনেক আসল পিটিসি সাইট রয়েছে যারা প্রতিদিন তাদের মেম্বারদের কোটি কোটি টাকা পেমেন্ট দিচ্ছে।  আসল কথা হল আসলে সাইট আপনাকে চিনে কাজ করতে ‍হবে।  আর না জানলে অনলাইনে যারা পিটিসি সাইট হতে আর্ন করছে তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে হবে।   আজ আমি আপনাদের এমন একটি সাইটের সম্পর্কে বলব যার নাম হয়তবা আপনার অনেক শুনেছেন, সাইটির নাম Ojooo।  সারাবিশ্বের নামি-দামি পিটিসি সাইটগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।  নিউবাক্স(Neobux), ক্লিক্সসেন্স(Clixsense), অজো(Ojooo) সাইটগুলো আপনাকে প্রতি ক্লিকের জন্য প্রথমেই হয়ত High value দিবেনা কিন্তু এগুলোর সাথে আপনি চোখ বন্ধ করে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন, সময় পরিক্রমায় একসময় High Click Value ও পাবেন। 
আবার ফিরে আসি Ojooo.com বিষয়ে।  এখানে আপনি সাইন আপ করলে প্রতিদিন প্রচুর এ্যাড পাবেন।  এবং এদের ক্লিক Value ও মুটামুটি ভাল।  বিষষটা হল Ojooo তে এখন অনেকেই একাউন্ট খলতে গিয়ে IP সমস্যায় পড়েন।  আজ আমি আপনাদের জানাব কিভাবে এই IP সমস্যা পাশ কাটিয়ে Ojooo তে একাউন্ট খুলতে বা সাইন আপ করতে হয়। 
ধাপেধাপে আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে এই কাজটি করবেন।  

ধাপ-১ :  প্রথমে আপনাকে বিশ্বখ্যাত ব্রাউজার Google Chrome এর লেটেস্ট ভারসন নামিয়ে নিতে বা ডাউনলোড করতে হবে।  এই কাজটি করতে এই খানে ক্লিক করুন আর ডাউনলোড করুন।  আমি এখানে অফলাইন ইনস্টলার দিলাম।  ডাউনলোড করুন আর ইনস্টল করে নিন। 

ধাপ-২ : Chrome পিসি বা ল্যাপটপে ইনস্টল দেওয়ার পর, এখন এই ব্রাউজারে hola Addon নামের  একটি Extension ইনস্টল করে নিতে হবে।  এটি একটি ফ্রি ভিপিএন যা খুবই কাজের।  আপনি যদি এই পোস্টটি গুগুল ক্রোম ব্রাউজারে খুলে থাকেন তবে নীচের লিংকে ক্লিক করুন তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে hola Add-on পেজে চলে যাবেন।  আশা করি আর কিছু বলে বোঝাতে হবেনা।
https://chrome.google.com/webstore/detail/unlimited-free-vpn-hola/gkojfkhlekighikafcpjkiklfbnlmeio?hl=bn

ধাপ-৩ : এতক্ষনে নিশ্চয় আপনি Hola Addon টি ইনস্টল করেছেন।  না হয়ে থাকলে কাজটি শেষ করে এখন আপনার ব্রাউজাবের ডান কোনে Hola Addon টি চালু করুন আর।  এড অনটি অন করে Top Popular Sites লেখার উপর মাউস নিয়ে ক্লিক করুন আর এখানে  নিচের এড্রেসটি কপি করে পেস্ট মারুন আর Enter Key চাপুন।
ব্রাউজারে আপনার আইপি লোকেশেন দেখাবে Bangladesh ।  এখান থেকে England/USA(America)/Russia যে কোন একটি কান্ট্রি সিলেক্ট করুন আর লক্ষ্য করুন আর দেখুন আপনার আইপি লোকেশন সেই কান্ট্রি দেখাচ্ছে কিনা।  যদি আপনার সিলেক্ট করা কান্ট্রি দেখায় তাহলে এই লিংকে যান।  এই পেজে গিয়ে ব্যানারে ক্লিক করলেই আপনি চলে যাবেন Ojooo সাইন আপ পেইজে।


উপরের পেজ আসলে এখন আপনাকে আপনার ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, একাউন্ট ইমেইল(যে ইমেইল দিয়ে আপনি এখানে একাউন্ট খুলতে চান), পে-পাল বা পায়জা ইমেইল( যে কোন একটি দিলেও হবে) সঠিক ভাবে দিতে হবে।  আর নিচের Referrer বক্সে  ।Goljar নামটি বসিয়ে দেবেন।  এটি করলে আপনি আমার ডা্ইরেক্ট রেফারেল হবেন, যে কোন সহযোগিতা কাজ করার সময় পাবেন।  এখন ক্যাপটা পুরন ও Yes সিলেকট করে নিচের বাটনটিতে ক্লিক করুন।  আপনি নিচের পেইজটি প্রমোটেড হবেন।  এখানে উপরের তথ্য Show করবে।  নিচের তথ্যগুলো যেমন আপনার নাম ঠিকানা,টেলিফোন নম্বর, জন্মতারিখ, সঠিক ভাবে দিন।  Secret Question সিলেক্ট করে তার উত্তর নিচের বাক্সে লিখুন এইটুকু নোটপ্যাডে আপনার একাউন্টের অন্যান্য তথ্যের সাথে এটিকেও সেইভ করে রাখুন।



সব ঠিক-ঠাক মত পুরন করে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।  আপনার দেওয়া ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক যাবে, সে ঐ লিংকে ক্লিক করে আপনার একাউন্টটি ভেরিফাই করে নিন।  এর পরবতী ধাপ খুব সোজা আাপনার একাউন্টে আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ বা লগইন করুন।

কাজ করবেন যেভাবে: 

এখানে কাজ করাও খুব সোজা, এড দেখার জন্য আপনার একাউন্টের সর্ব বামের মেনু হতে Paid to Click Ads অপশনে ক্লিক করুন।  আপনি নিচের মত এড দেখতে পাবেন।  এখানে প্রতি দিন কাজ করলে আপনি প্রচুর এড দেখতে পাবেন।  নিচের ছবির মত(১নং) যে কোন একটি এড এর উপর ক্লিক করুন।  ২ নং চিত্রে মত এখানে আপনার প্রতিটি এড দেখতে সর্ব নিম্ন ৫ সেকেন্ড হতে ৬০ সেকেন্ড সময় লাগবে। 

এ্যাড দেখা শেষ হলে আপনার সামনে একটি প্যাটার্ন (৩নং) হাজির হবে আপনাকে সেটি মাউস ড্র্যাপ করে অংকন করতে হবে।  সঠিকভাবে প্যাটার্ন আংকতে পারলে নীচের(৪নং) মত Your Click has been validated বার্তাটি দেখতে পারবেন।  এখন ডানপাশে Close Window নামের রেড বাটনটিতে ক্লিক করুন।  এভাবে প্রতিটি এড দেখুন। 

কিভাবে আয় বাড়াবেনঃ

অন্যান্য পিটিসি সাইটের মত Ojooo এ আয় বাড়ানোর উপায় হল রেফারেল এর মাধ্যমে।  বাম পাশে Referral Tools এ ক্লিক করলে আপনে একটা লিঙ্ক পাবেন।  আপনার এই লিঙ্কটি ফেসবুক, টুিইটার, লিংকদিন ইত্যাদি সামাজিক মাধ্যম সহ আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ যদি থাকে সেখানে শেয়ার করুন। এই লিঙ্ক টা দিয়ে কেউ জয়েন করলে সে যত টাকা আয় করবে তার একটা অংশ আপনি পাবেন।  তার মানে যত রেফারেল তত আয়।  আপনি ফেসবুক, ব্লগ, এমনকি সরাসরি আপনার বন্ধুদের কে Ojooo এর কথা বলতে পারেন।  আপনি একাউন্ট খোলার পর থেকে রেফারেল করতে পারবেন।  যদি রেফারেল না পান তাহলে কি করবেন?????

উপায় একটা আছে।  আপনার যখন ০.২০ ডলার হবে (ভয় পাবেন না নিয়মিত ৩/৪ দিন কাজ করলেই আপনি ২০ সেন্ট ইনকাম করতে পারবেন) তখন আপনি এই টাকার বিনিময়ে ১ জন রেফারেল ভাড়া নিতে পারবেন।  যারা ১ মাস আপনার জন্য কাজ করবে।  তাহলে শুরুতে আপনাকে ০.২০ ডলার হওয়া পযন্ত একা একা কাজ করতে হবে।  এভাবে প্রথমেই টাকা তুলে খাওয়ার চিন্তা বাদ দিন।  এখানে ২০ সেন্ট থেকে ১ ডলার আয় করুন আর রেফারেল ভাড়া করতে থাকুন।  আপনার রেন্টেড রেফারেল যত আপনি বাড়াতে পারবেন তারা আপনার কাজ করতে থাকলে আপনার আয়ও হুড় হুড় করে বাড়তে থাকেবে।  এভাবে আয় বাড়াতে থাকুন আর $39 ডলার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।  আপনার এই পরিমান আয় আসলেই আপনার মেম্বারশীপ ১ বছরে জন্য Standard থেকে Premium এ আপগ্রেড করে নিন।  দেখবেন।  আর এত ধৈর্য না থাকলে আর আপনার পে-পাল বা পায়জা তে যদি এই পরিমান ডলার থাকে তাহলে এখানে বিনিয়োগ করতে পারেন।  নিশ্চয়তা দিচ্ছি আপনার অর্থ বিফলে যাবেনা।  এটি এমনই একটি সাইট যাদের ২০২৫ সাল পর্যন্ত লাইসেন্স করা তাই এদের স্ক্যাম করার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। 

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৬

এখন আপনার স্মার্টফোনটিও হতে পারে প্রতিমাসে ১০ -১৫ হাজার টাকা আয়ের উৎস্য!

আজকের এই ডিজিটাল পৃথিবীতে আপনিও এখন অনলাইন আয়ের স্বপ্ন দেখতে পারেন।  ল্যাপটপ নেই! তো সমস্যা কিসের? এবার আপনার হাতের স্মার্টফোনটিই হবে অনলাইন আয়ের উৎস্য। এজন্য আপরার ফেসবুক, টুইটার ও গুগল+ একাউন্ট থাকতে হবে। আর আজকালকার যুগে এই সামাজিক মাধ্যমগুলোতে কার উপস্থিতি নেই বলেন। আপনারও নিশ্চয় রয়েছে এগুলোতে একাউন্ট? তাহলে ঠিক জায়গাতেই এসেছেন, আপরার স্মার্টফোনে এক্ষনই Azearning App ডাউনলোড করে নিন। এই App টি ডাউনলোড করে এর মাধ্যমে লগিন করে এখান থেকে বিভিন্ন নিউজ আপনার ফেসবুক, টুইটার, গুগল+, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি মাধ্যমে শেয়ার করে ১০০ ভাগ নিশ্চিত আপনি আয় করতে পারবেন। প্রথমে প্লে স্টোরে Azearning লিখে সার্চ করুন,তারপর ইন্সটল করুন,ওপেন করবেন না। প্রথমে নিচে বিস্তারিত ভালো করে পড়ুন

Note:- প্রথমে আপনার মোবাইল এর ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে এপ্সটা ওপেন করুন। এখন sing up এ ক্লিক করুন করলে

এসব দেবেন…. উদাহরণ

1) use name :- MH100 [ অথাৎ আপনার নামের সাথে ১২৩ ইতাদি ব্যবহার করন]

2) GMail :- *****@gmail.com [এখানে আপনার জিমেইল দেন।

3) password :- ****** [৬ থেকে ৮ ডিজিট এর পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন]

4) invitation code :-  4ANTG4

[ এটি অবশ্য ব্যবহার করুন তাছাড়া সাইন উপ সমস্যা হতে পারে।  এমনকি 4ANTG4 ছাড়া sing up করলে $১ ডলার পাবেন না।
এখন আপনার মোবাইল এর ইন্টারনেট কানেকশন অন করে sing up এ ক্লিক করুন। ]

আরো সহজ কথায় বলতে গেলে প্রথমে আপনি ইউজার নেইম এরপর ইমেল দিবেন তারপর পাসওযার্ড দিবেন এবং নিচে ইনভাইটেশন কোড 4ANTG4 দিবেন,উপরের গেট কোডের ক্লিক করুন এবার.এরপর আপনার মেইলে একটি কোড যাবে এটি এখানে দিয়ে দিন তারপর নিচের সাইন আপ বাটনে ক্লিক করুন।

১০০% নিশ্চিত টাকা দেওয়ার কারনে এপটির জনপ্রিয়তা এখন তুংগে,আপনার বিশ্বাস না হলে প্লে স্টোরে এর রেটিং দেখবেন, এর প্লেস্টোর

রেটিং 4.7 আছে !!! টাকা কিভাবে পাবেন

১/ পেয়পাল.

২/ মোবাইল রিচার্জ.


কি করতে হবে?

এপটিতে আপনাকে তেমন কিছুই করতে হবেনা শুধু সাইনআপ করে আপনি কিছু নিউজ :

Facebook,Twitter,Whats app এর যেকোনটিতে শেয়ার করবেন।কিভাবে কাজ করতে হবে

১।  সাইনআপ করার সাথে সাথে ২ ডলার ফ্রি পাবেন।

নোট :- আরো $1 ডলার বোনাস পেতে কিন্তু আপনাকে Invitation Code বসাতে হবে।  তাই Invitation Code টা খাতাই লিখে রাখুন সাইন আপ এর সময় কাজে লাগবে ।


Invitation Code :- 4ANTG4 (বড় হাতের হবে সবগুল) এই Invitation Code ব্যবহার না করলে সাইন আপ এর সময় ১ ডলার সাইন আপ বোনাস পাবেন না ।  শুধু ২ ডলার পাবেন |

আপনি নিশ্চয় ১ ডলার =৮০ টাকা খোয়াতে চাবেন না তাই কোডটি বসাবেন। এইখানে লেখাই আছে দেকবেন ( Earn 1$ Extra for entering Invitation code: 4ANTG4 ।  এই এপ্পস টা সাইন-আপ এর সাথে সাথে $3 dollar free.


২।  প্রতিদিন এপটিতে ঢুকলে Daily Reward .০৩ ডলার পাবেন।  এজন্য আপনাকে এপ্সটার এক কোণে Me ক্লিক করে sing in ক্লিক করতে হবে।


৩।   প্রতিদিন প্রথম 3 টি শেয়ার এর জন্য ডলার পাবেন আর আপনার শেয়ার কৃত নিউজে কেউ ভিজিট করলে পাবেন .০১ ডলার করে তাই আপনার বন্ধুদের বলবেন এগুলো ভিউ করার জন্য রেফার করে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে নিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।  মেনুতে গিয়ে আপনার কোডটি সংগ্রহ করুন এবং অন্যদের বলুন কোডটি দিয়ে সাইন আপ করতে এতে সে পাবে ১ ডলার পাবে আর আপনি পাবেন
হাফ ডলার বা 0.5 ডলার।  তো আর দেরি কেন এখনি ৪ এম্বির এপটা ডাউনলোড করে টাকা ইনকাম শুরু করুন আর মোবাইলে রিচার্জ ও করুন।
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান- সাম্রাজ্ঞী স্ত্রীর প্রতি সম্রাটের এক মহা মুল্যবান উপহার !

ইনফোটেকলাইফ ডেস্ক:  ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে নির্মিত হয় ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান (ইংরেজি: Hanging Gardens of Babylon)। সম্রাট নেবুচাদনেজার সম্রাজ্ঞীর প্রেরণায় এটি নির্মাণ করেন। প্রথমে নির্মাণ করা হয় বিশাল এক ভিত, যার আয়তন ছিল ৮০০ বর্গফুট। ভিতটিকে স্থাপন করা হয় তৎকালীন সম্রাটের খাস উপাসনালয়ের সুবিস্তৃত ছাদে। ভিত্তি স্থাপন করার পর মাটি থেকে এর উচ্চতা দাড়িয়েছিল ৮০ ফুট। এই ভিত্তির উপরেই নির্মিত হয়েছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং বিস্ময়কর পুস্পবাগান।  ৪০০০ শ্রমিক রাতদিন পরিশ্রম করে তৈরি করেছিল এই বাগান।  বাগান পরিচর্যার কাজে নিয়োজিত ছিল ১০৫০ জন মালী। ৫ থেকে ৬ হাজার প্রকার ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছিল এই ঝুলন্ত বাগানে। ৮০ ফুট উচুতে অবস্থিত বাগানের সুউচ্চ ধাপগুলোতে নদী থেকে পানি উঠানো হত মোটা পেচানো নলের সাহায্যে। ৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পার্শ্ববর্তী পারস্য রাজ্যের সাথে এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এই সুন্দর উদ্যানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।

ব্যাবিলন নামকরণ:

মেসোপটেমিয় সভ্যতার মধ্যে এই ব্যাবিলনের সভ্যতা অন্যতম। ইউফ্রেটিস নদীর তীরে গড়ে ওঠা ব্যাবিলন শহরটি ছিলো জাঁকজমকপূর্ণ। চারকোণা এ শহরটি তখন প্রশস্ত প্রতিরক্ষা প্রাচীরে ঘেরা ছিল, যা উচ্চতা এবং প্রশস্তের দিক থেকে ছিলো বিস্ময়কর। শহরের সামনে ছিল মজবুত ও উচু প্রবেশ পথ। আবার শহরের মধ্যে একটি বড়ো স্তম্ভও তৈরি করা হয়েছিল। যার নাম ছিলো ব্যাবিলন টাওয়ার।

সম্রাট সারগন ও হামমুরাবি:

খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ এর দিকে সুমেরীয় সভ্যতার পতন হলে ব্যাবিলন সে অঞ্চলের শক্তিশালী একটি সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। ব্যাবিলনের প্রথম সম্রাট সারগন ছিলেন মোটামুটি সফল, কারণ তিনি ব্যাবিলনের সভ্যতা সমৃদ্ধির শীর্ষে পৌঁছে সম্রাট হামুমারাবির সময়ে (১৭৯২-১৭৫০ খ্রিষ্টপূর্ব) সুমেরীয় সংস্কৃতি, জ্ঞানবিজ্ঞানের উন্নয়ন করেন।


নানোপোলাসার সময়কাল:

পরবর্তী কয়েকশ বছর ব্যাবিলনের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর হাতে। হিট্টাইট, অ্যাসিরিয়ান, ক্যাসাইট এবং ক্যালডিয়ান জাতি প্রায় হাজার বছর ব্যাবিলনের ক্ষমতা হরণ করে। তারপর ৬২৫ খ্রিষ্টপূর্বে নানোপোলাসার-এর নেতৃত্বে ব্যাবিলন আবার জেগে ওঠে। তিনি অ্যাসারিয়ানদের রাজধানী নিনেভে দখল করে নেন। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে নেবুচাদনেজার ক্ষমতায় আসেন। তিনি ব্যাবিলনকে আরো সমৃদ্ধ এবং জাঁকজমকপূর্ণ করে গড়ে তোলেন। তিনি ছিলেন স্থাপত্য ও শিল্পের প্রতি বিশেষভাবে অনুরাগী। তিনি বিভিন্ন যুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দির, প্রাসাদ ও স্থাপত্য পূনর্নির্মাণ করেন। ব্যাবিলন শহরকে গড়ে তোলেন আকর্ষণীয় করে।


ব্যাবিলন সৃষ্টির ইতিহাস:

নেবুচাদনেজার এর (৬০৫-৫৬২ খ্রিষ্টপূর্ব) সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত উদ্যান। এই ঝুলন্ত বাগান গড়ে তোলার পিছনে তাকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল তার প্রিয়তম সম্রাজ্ঞী।

ব্যাবিলনের ঝুলন্ত বাগান বিশ্বের সপ্তাশ্চার্যের একটি হয়ে ব্যাবিলনের সুখ্যাতি প্রকাশ করে। সম্রাট নেবুচাদনেজার ছিলেন ভীষণ আমুদে। নিনেভে দখল করার সময় মিডিয়ান সম্রাট তাকে সহযোগিতা করেছিলেন। মিডিয়ান রাজকন্যার সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে তিনি তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর রাজকন্যা হলেন ব্যাবিলনের সম্রাজ্ঞী। কিন্তু ব্যাবিলনের সম্রাজ্ঞীর আদৌ ভালো লাগত না, কারণ মিডিয়া ছিলো পাহাড় পর্বতের দেশ। আর ব্যাবিলন ছিল সমতল ভুমি। সম্রাজ্ঞী পাহাড়ি দৃশ্যের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়লেন। সম্রাট সম্রাজ্ঞীর মনের কথা বুঝতে পেরে তাকে খুশী করতে প্রাসাদের ওপর বিশাল পাহাড় তৈরি করেন। পাহাড়ের সঙ্গে তৈরি হলো মনোরম বাগান। সারা পৃথিবী থেকে চমৎকার সব উদ্ভিদ আর ফুল এনে সাজিয়ে দেয়া হল বিশ্ববিখ্যাত এই বাগান। কারণ তিনি চেয়েছিলেন সম্রাজ্ঞীর জন্য ভালোবাসার প্রতীক অঙ্কন করতে।


ব্যাবিলনের পতন:

পারস্য সম্রাট সাইরাস ৫১৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে জেরুজালেম দখল করে শহরটি ধ্বংস করেন। তাদের উপাসনালয় এবং রাজপ্রাসাদ পুড়িয়ে দেন। তার সময় থেকেই ব্যাবিলনের সাম্রাজ্য ম্লান হতে থাকে। তার পরবর্তীকালে নেবোনিডাস সম্রাট হন। তবে ব্যাবিলনের সমৃদ্ধি হারিয়ে যেতে থাকে। পারসিয়ান সম্রাটের প্রচন্ড আক্রমণে নিমিষেই ধুলোয় মিশে গিয়েছিলো ব্যাবিলন নগরী।


তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া ও ওয়েবসাইট
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

ব্রাডলি ফিলিপস্ (Dennis Bradley Phillips) থেকে মোঃ বেলাল ফিলিপস- ৩০০০ মার্কিন সেনাকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করার মহানায়ক!

ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস। বর্তমান সময়ে পিস টিভির নিয়মিত বক্তা হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত।  তিনি একাধারে শিক্ষক, বক্তা ও লেখক। ১৯৪৬ সালের ৬ জানুয়ারি জ্যামাইকায় এক খ্রিস্টান পরিবারে তারজন্ম। বড় হন কানাডায়। জন্মসূত্রে নাম ছিল ডেনিস ব্র্যাডলি ফিলিপস। ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি আরব আমিরাতে বাস করছিলেন। সেখানে থেকে তিনি অধ্যাপনা, প্রকাশনা, খুতবা ও বক্তৃতার মাধ্যমে ইসলামের শিক্ষাকে প্রচার করে আসছিলেন।


তবে তার স্পষ্টবাদিতার কারণে তাকে আরব আমিরাত ত্যাগ করতে হয়। বর্তমানে তিনি কাতারে বসবাসরত।ফিলিপস ষাটের দশকের শেষ দিকে ভ্যানকুভারে সাইমন ফ্রেসার ইউনির্ভাসিটিতে পড়া অবস্থায় সেখানকার বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনে যোগদান করেন। ধীরে ধীরে কম্যুনিজমের প্রতি আগ্রহ জন্মায় এবং কম্যুনিস্ট আদর্শ গ্রহণ করেন। তিনি এক বছর স্যান ফ্রান্সিস্কোতে কম্যুন্সিট পার্টির সাথে কাজ করার পর এই দলের কর্মকান্ডের আসল রূপ দেখতে পেয়ে ফের কানাডায় ফিরে আসেন। কম্যুনিস্ট দর্শন তাকে সন্তুষ্ট করতে পারছিল না, এ দর্শন সমাজকে পরিবর্তনের কথা বললেও পরিবর্তন আনার মতো বাস্তবধর্মী হাতিয়ার এর ছিল না, তাছাড়া কম্যুনিস্ট দর্শন প্রস্তাবিত অর্থনৈতিকব্যবস্থা ছিল ব্যর্থ, আর শ্রমজীবী শ্রেণীর স্বার্থের নামে পরিচালিত গণনির্যাতনকে তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। তাছাড়া বহু বামপন্থী নেতা ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন অত্যন্ত অসৎ ও অনৈতিক। অবশেষে তিনি কম্যুনিজম ত্যাগ করেন এবং হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম প্রভৃতি অন্যান্য ধর্ম ও দর্শন পরখ করে দেখেন। ১৯৭১ সালে তার এক কম্যুনিস্ট বন্ধু ইসলাম গ্রহণ করলে তিনি ধর্মটির প্রতি আকৃষ্ট হন এবং এ নিয়ে পড়াশুনা শুরু করেন। তিনি উপলব্ধি করেন, ইসলামেই রয়েছে মানবজাতির জন্য শ্রেষ্ঠ সমাধান, এতে রয়েছে সমাজবাদী এবং পুঁজিবাদী দর্শনের ভালো দিকগুলোর সমন্বয়। ছয় মাসের পড়াশুনা এবং আলোচনা-পর্যালোচনার পর তিনি ১৯৭২ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এর এক বছর পর তিনি মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুল আল দ্বীন অনুষদ থেকে আরবি ভাষায় ডিপ্লোমা এবং বি এ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক থিওলজিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিষয়ের ওপর তিনি ১৯৯৪ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি নেন ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস-এর ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ থেকে।


উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় এবং এর ঠিক পরপর তিনি তার কয়েকজন সঙ্গীসহ সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর কাছে ইসলামের শিক্ষা উপস্থাপন করার এক প্রোজেক্ট হাতে নেন, মার্কিন সেনাদের মাঝে বিদ্যমান ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করা ছিল তাদের এই প্রজেক্টের লক্ষ্য। তাদের এই প্রচেষ্টায় তিন হাজারের ওপর মার্কিন সেনা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি আরব আমিরাতে বসবাসরত ছিলেন। সেখানে থেকে তিনি অধ্যাপনা, প্রকাশনা, খুতবা এবং বক্তৃতার মাধ্যমে ইসলামের বিশুদ্ধ শিক্ষাকে প্রচারের কাজ করে আসছিলেন। 


তিনি সারজাহতে দার আল ফাতাহ প্রেস, দুবাইতে ডিসকভার ইসলাম নামক ইসলাম প্রচার কেন্দ্র, সারজাহ টিভি চ্যানেল-২, স্যাটেলাইট (ইসলামি চ্যানেল), আজমান টিভি চ্যানেল-৪ এবং সৌদি টিভি চ্যানেল-২-এর সাথে ইসলাম প্রচারের কাজে জড়িত ছিলেন। তিনি বর্তমান বিশ্বের নামকরা ইসলামি পণ্ডিত এবং চিন্তাবিদদের অন্যতম। তিনি ইসলামিক চ্যানেল পিস টিভিরও বক্তা।

ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি হল ডক্টর আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপসের চিন্তা ও প্রচেষ্টার ফসল এবং এক মহতী উদ্যোগ। তিনি ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি (www.islamiconlineuniversity.com) নামে কাতারে একটি বিশ্ববিদ্যালয় মানের অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। অনলাইনে ইসলামভিত্তিক বিষয় পড়াশুনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি অর্জনের সুব্যবস্থা রয়েছে এই ওয়েবসাইট বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।
এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিলাল ফিলিপস তার ওয়েবসাইটে বলেন, দূরশিক্ষণ বর্তমানে একটি কার্যকরী ব্যবস্থা হয়ে উঠছে, যার মাধ্যমে সাধারণ মুসলিমরা তাদের বিশ্বাস সম্পর্কে শিক্ষালাভ করতে পারবে। বর্তমানে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপসহ বেশির ভাগ দেশেই এর দাপ্তরিক শাখা বিদ্যমান এবং শাখাভুক্ত দেশসহ তার বাইরেও বহুসংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছে।

তার ৩০টিরও বেশি প্রকাশনা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বক্তৃতার ভিডিও। আমাদের দেশীয় বিভিন্ন প্রকাশনী ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপসের লেখা বই বাংলায় অনুবাদ করে প্রকাশ করে থাকে।
তার লেখা কয়েকটি বই :
* Fundamentals of TAWHEED (Islamic Monotheism), International Islamic Publishing House; (ISBN 9960-9648-0-9)
* The Evolution of Fiqh (Islamic Law & The Madh-habs), International Islamic Publishing House (Edited by Bradley Philips); (ISBN 9960-672-86-7)
* True Message of Jesus Christ, Islamic Book Services 2006; (ISBN 81-7231-360-8)
* Purpose of Creation 84pp, Islamic Book Services 2002; (ISBN 81-7231-358-6)
* Funeral Rites, International Islamic Publishing House; (ASIN 9960850846)
* Polygamy in Islam, Islamic Book Services; (ISBN 81-7231-715-8)
* Islamic Studies, Al-Basheer 2002; (ISBN 1-898649-19-7)


আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপসের কিছু উক্তি :

একজন মুসলিম স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো তার স্ত্রীকে আধ্যাত্মিক পথের নির্দেশনা দেয়া।  আমরা যা শিখছি তা যদি আমাদের বিশ্বাসের উপর কোনো প্রভাব ফেলতে না পারে, আমাদেরকে আল্লাহর কাছাকাছি নিয়ে যেতে না পারে, আমাদের বিশ্বাসকে আরো মজবুত করতে না পারে- তাহলে এর অর্থ হচ্ছে আমাদের উদ্দেশ্যে, নিয়তে ভুল আছে। 


বিলাল ফিলিপসের ওয়েবসাইট : http://www.bilalphilips.com/
বিলাল ফিলিপসের ফেসবুক পেজ : https://www.facebook.com/DrBilalPhilips
তথ্যসূত্র : বিভিন্ন ওয়েবসাইট
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬

ইংরেজী সন ও তারিখ হতে সপ্তাহের দিন বা বারের নাম বলার কৌশল! যা আপনার কাজে আসবেই ।

আজ আমি আপনাদের ইংরেজি তারিখ থেকে সপ্তাহের দিন বা বারের নাম বলার কৌশল উপস্থাপন করব।  তাই কৌশলগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন, কয়েকবার নিজে নিজে প্র্যাকটিস করুন।   বিষয়টি আয়ত্ত করার মাধ্যমে আপনি যে কাউকে চমকে দিতে পারেন আর বন্ধুদেরকে কৌশলগত ভাবে বারের নাম উপস্থাপন করে যা ইচ্ছা খেতে পারেন।  আমারটা কিন্তু আপনাদের কাছে পাওনা রইল।  পহেলা বৈশাখে পান্তা আর ইলিশ খাওয়াইতে ভুল্লেইনা কিন্তু।
বুঝতে পারছি।  খাওয়ানোর কথা বললে মাথা গরম হয়ে যায়। আচ্ছা কুঞ্জুস ভাইয়েরা খাওয়াতে হবেনা।  ”যাহা দিলাম তাহা সত্ব ত্যাগ করিয়াই দিলাম।” পুরাটাই ফ্রি .................. !!!!!!

এখানে আমি একটি কৌশল উপস্থাপন করছি, যতদুর সম্ভব এই কৌশলটি আমি একটি ইংরেজী বই যার নাম Mind Performance Hacks সেখান হতেই আয়ত্ব করেছিলাম।  এই কৌশলটি আপনি যদি একবার কোন মতে আয়ত্ব করতে পারেন তবে, যে কোন সনের তারিখ হতে সহজেই ঐ দিনটি কি বার ছিল তা বলে দিতে পারবেন।

ফর্মুলা বা সুত্র:

(বছরের কোড+ মাসের কোড+শতাব্দী কোড+ তারিখের সংখ্যা- অধিবর্ষ কোড)- মোড ৭

ফর্মুলাটি যেভাবে কাজ করে!

ফর্মুলাটি কিভাবে কাজ করে তা ব্যাখ্যা করতে আমি ১৮৯৭ সালের ১৪ ই মার্চ অর্থাৎ অর্থাৎ আইনস্টাইনের জন্ম কি বারে হয়েছিল তা বের করার চেষ্টা করব।

বছরের কোড- 

বছরের কোড টি বের করতে নীচের সুত্র বা ফর্মুলাটি ব্যবহার করুন। 
YY + (YY div ৪) mod ৭
৯৭+(৯৭ ÷৪) mod ৭  
 YY হল বছর বা সনের শেষের দুটি ডিজিট।  যেমন ১৮৯৭ সালের শেষের দুটি ডিজিট হল ৯৭ ।  
উপরের সুত্র অনুযায়ী আমরা প্রথমে এই শেষের দুটি ডিজিট অর্থাৎ ৯৭ কে ৪ দ্বারা ভাগ করব।  অবশিষ্ট কত থাকল তা দেখার দরকার নেই।   ৯৭ ÷ ৪= ২৪ অর্থাৎ ভাগফল পেলাম ২৪।  এই ২৪ কে আগের ৯৭ এর সাথে যোগ করি।  যার যোগফল হল ১২১।  এখন পরের ধাপটি হল ১২১ মোড(mod)৭ যার এই মোড মানে হল ১২১ কে ৭ দিয়ে ভাগ কর, আর ভাগফল যাই হোক কেবল ভাগশেষটা নাও।  এখানে ১২১ কে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১৭ ভাগশেষ থাকে ২ ।  আমরা এখানে শুধু এই ২ কে নেব।   এখানে এই ২ সংখ্যাটিই হল আমাদের কাঙ্খিত বছরের কোড।  

মাসের কোড -

 এই কোড খুব সোজা কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস না করে, শুধু এই কোড গুলো মুখস্থ্য করুন- ০৩৩৬১৪৬২৫০৩৫
যখন-
  • জানুয়ারী = ০
  • ফেব্রুয়ারী=৩
  • মার্চ =৩
  • এপ্রিল=৬
  • মে  =১
  • জুন =৪
  • জুলাই =৬
  • আগস্ট =২
  • সেপ্টেম্বর=৫
  • অক্টোবর= ০
  • নভেম্বর=৩
  • ডিসেম্বর=৫
তো আর কি করার এখন তো আমরা মাসের কোড ও পেয়ে গেলাম যেমন এখানে আইনিস্টাইনের জন্ম মার্চ মাসে যার কোড ৩
উপরের কোডটিকে আপনার মোবাইল নাম্বার মনে করে মুখস্থ করে রাখুন।  কথা দিচ্ছি ক্ষতি হবেনা ।

 শতাব্দী কোড-

আপনার এখন প্রয়োজন হবে শতাব্দী কোড ব্যবহার করা।  গ্রেট-ব্রিটেনে এবং আমেরিকাতে যে কাজটি হয়েছিল তা হল, ১৭৫২ সালের ২ রা সেপ্টেম্বর তারা জুলিয়ান(Jullian) ক্যালেন্ডার হতে গ্রীগরিয়ান(Gregorian) ক্যালেন্ডার সিস্টেমে চলে গিয়েছিল।  কিন্তু গ্রীগরিয়ান(Gregorian) ক্যালেন্ডার সিস্টেম শুরু হয় ১৭৫২ সালের ১৪ ই সেপ্টেম্বর যার ফলে ১১ দিন বাদ পড়ে গিয়েছিল।

গ্রীগরিয়ান(Gregorian)  তারিখসমুহ:

গ্রীগরিয়ান(Gregorian)  ক্যালেন্ডার এর জন্য এই কোডটি মনে রাখুন-৪২০৬৪২০
  • 1700s = 4
  • 1800s = 4
  • 1900 = 0
  • 2000s = 6
  • 2100s = 4
  • 2200s = 2
  • 2300s = 0

ধরুন আপনার বন্ধুর জন্মদিন বিংশ শতাব্দির মধ্যে পড়ে যদি আপনার ব্ন্ধুর জন্মদিনে আপনি শুধু এই গ্রীগরিয়ান(Gregorian) কোডগুলোকেই প্রয়োগ করেন, তবে আপনি তখন আপনি একোডগুলো বাদ দিলেও সমস্যা নেই কারন দেখুন ১৯০০(বিংশ শতাব্দী) সালের
 ০(শুন্য)।  এটিকে বাদদিলেও হিসেবে কোন হের-ফের হবেনা।  কারন Nothing comes out of Nothing! একটু রসিকতা করলাম।

জুলিয়াল(Julian) তারিখ-

আপনি জুলিয়ান ডেটস এর ক্ষেত্রে এটিকে কাজে লাগাতে চান তবে- ফর্মুলাটি হবে শতাব্দীর সালে শেষের দুটি অংক বাদ দিয়ে প্রথমে যা থাকে তা নিন এবং ১৮ হতে একে বিয়োগ করুন।  এবং এই বিয়োগফল ৭ দিয়ে মোড(Mod) করুন।

উদাহরণ ১- যেমন ধরুন সালটি হল ৮৫২CE, তাহলে শেষের দুটি অংক বাদ দিলে থাকে ৮ একে ১৮ হতে বিয়োগ করলে বিয়োগফল পাওয়া গেল ১০।  তাহলে ১০ Mod ৭=৩ তাহলে এখানে শতাব্দী কোড পেলাম-৩
উদাহরন ২- ধরুন সালটি হল ১৬২৫CE, তাহলে শেষের দুটি অংক বাদ দিলে থাকে ১৬।  একে ১৮ হতে বিয়োগ করলে বিয়োগফল পাওয়া গেল ২।  তাহলে ২ Mod ৭= ২ তাহলে এখানে শতাব্দী কোড পাওয়া গেল ২

এখন আইনস্টাইন এর জন্ম সাল ১৮৯৭ বিবেচনায় আনলে এর শতাব্দীকোড হয় ২, কারন উপরের চার্টে ১৮৯৭ সাল গ্রিগোরিয়ান (Gregorian) তারিখের মধ্যে পড়ে।

লীপ-ইয়ার(Leap Year)কোড: 

আপনাকে আর একটি জিনিস বা বিবেচনায় রাখতে হবে যখন আপনি লীপ-ইয়ার বা অধিবর্ষ নিয়ে কাজ করবেন।  ‍যদি তারিখটি লীপ-ইয়ার অধিবর্ষের জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাস হয় তবে আপনাকে মোট হিসেবে মধ্যে থেকে ১ বাদ দিতে হবে। 

গ্রীগোরিয়ান ক্যালেন্ডারে অধিবর্ষ-

আপনি যদি একটি গ্রীগরিয়ান বর্ষকে ৪ দ্বার ভাগ করেন এবং তা যদি নিঃশেষে বিভাজ্য হয় তবে তা অধিবর্ষ, যদি তা ১০০ দ্বারা বিভাজ্য না হয়।   কিন্তু যদি তা ৪০০ দ্বারা বিভাজ্য হয় তবে তা অবশ্যই অধিবর্ষ।
১৯৯২ সালটি ৪ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি অধিবর্ষ।
১৯০০ সালটি ১০০ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি অধিবর্ষ নয়।
২০০০ সালটি ৪০০ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি অধিবর্ষ। 

জুলিয়ান অধিবর্ষ-

কোন জুলিয়ান শতাব্দীর সালকে ৪ দ্বারা বিভাজ্য হলে তা অবশ্যই অধিবর্ষ হবে।
আইনস্টাইন এর জন্মসাল ১৮৯৭ সাল এটি কোন অধিবর্ষ নয় তাই এটি এই হিসাবের আওতায় পড়বেনা।  

দিন বা বার বের করার চুড়ান্ত কৌশল!

এবার আমরা মুল ফর্মুলায় ফিরে যাব-

(বছরের কোড+ মাসের কোড+শতাব্দী কোড+ তারিখের সংখ্যা- অধিবর্ষ কোড)- মোড ৭

উদাহরন হিসেবে আমরা আইনস্টাইন এর জন্ম তারিখ ১৮৯৭ সালের ১৪ ই মার্চ তারিখ কি বার ছিল তা বের করব-
এখানে,
  • বছরের কোড- ২
  • মাসের কোড-৩
  • শতাব্দী কোড-২
  • তারিখ- ১৪ ই মার্চ অর্থাৎ ১৪
  • লিপ-ইয়ার- ০
তাই- উপরের সুত্র প্রয়োগ করলে- (২+৩+২+১৪) Mod ৭= ০
এখন ফলাফলটি নীচের বারগুলোর সাথে মেলান আপনি সপ্তাহের নাম পেয়ে যাবেন-
  • ০ = রবিবার
  • ১ = সোমবার
  • ২ = মঙ্গলবার
  • ৩ = বুধবার
  • ৪ = বৃহষ্পতিবার
  • ৫ = শুক্র বার
  • ৬ = শনি বার
তাহলে আমরা পেলাম আইনস্টাইন রবিবারে জন্মেছিলেন।  এভাবে আপনি যে কোন সনের সপ্তাহের দিনের নাম বলে দিতে পারবেন।
তো আজ এই পর্যন্তই আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নীচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। আমি সাধ্যমত চেষ্টা করব।
এরকম আরও কিছু সটকার্ট মেথড জানতে মেন্টাল উইকি নামের এই বইটি পড়তে পারেন।
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৬

অনলাইনে এইচএসসি(HSC) পরীক্ষা ২০১৬-র ফলাফল ও মোবাইলে যে ভাবে ফলাফল পাবেন! আপনার ফলাফল জানুন এখানেই ।

সকল প্রতিক্ষার প্রহর পেরিয়ে আজ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এই্চ এসসি পরীক্ষার ফলাফল।  এই পরীক্ষার ফলাফল জানার জন্য আমরা কত জায়গায় না সন্ধান চালাই।  ইনফোটেক পরিবারের সম্মানিত সকল শুভানুধ্যায়ী ও সদস্য সহ সকলে আজ এই পেজে ফলাফল দেখতে পাবেন।   ফলাফল দেখতে নীচে প্রথমে পরিক্ষা সিলেক্ট করুন।  এরপর আপনার পরিক্ষার সন সিলেক্ট করুন অর্থাৎ ২০১৬ নির্বাচন করুন।  সাল নির্বাচন করার পর যথাক্রমে আপনার শিক্ষাবোর্ড, রোল নং, রেজিস্ট্রেশন নং এবং সবশেষে নিচের মত একটি ক্যাপচা কোড পুরন করে Submit বাটনে ক্লিক করুন।  পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্খিত সোনার হরিণ।


এবার আসুন কিভাবে মোবাইলের মেসেজ অপশন হতে আপনি আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন সে সম্পর্কে জানি।

মোবাইলেই পান এইচ.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল: 

প্রতিবারের মতো এবারেও মোবাইল এসএমএস মাধ্যমে পাবেন এইচএসসি রেজাল্ট ২০১৬।  চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে এইচএসসি রেজাল্ট ২০১৬ দেখা যাবে মোবাইল এসএমএস মাধ্যমে।

৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডর এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্যঃ 

প্রথমেই আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন HSC <স্পেস> আপনার শিক্ষা বোর্ডের প্রথম তিনটি অক্ষর ইংরেজীতে <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2016 আর মেসেজটি পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।  সকল মোবাইল অপারেটরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।  ফিরতি মেসেজে পেয়ে যাবেন আপনার এইচএসসি ফলাফল।  মেসেজের উদাহরনঃ HSC DIN 814580 2016

আলিম পরীক্ষার্থীদের জন্যঃ

প্রথমেই আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন Alim <স্পেস> MAD <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2016 আর মেসেজটি পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।  সকল মোবাইল অপারেটরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।  ফিরতি মেসেজে পেয়ে যাবেন আপনার এইচএসসি ফলাফল। মেসেজের উদাহরনঃ Alim MAD 814580 2016

টেকনিকাল বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্যঃ

প্রথমেই আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন HSC <স্পেস> TEC <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2016 আর মেসেজটি পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।  সকল মোবাইল অপারেটরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ফিরতি মেসেজে পেয়ে যাবেন আপনার এইচএসসি ফলাফল।  মেসেজের উদাহরনঃ HSC TEC 814580 
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৬

আপনার শিশু শিক্ষার্থীকে যেভাবে বর্ণমালা শেখাবেন।

বর্ণমালা শেখার গতানুগতিক পদ্ধতি:


আমার নিজের অভিজ্ঞতাই মনে করতে পারি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব মিলে গোল হয়ে চটের উপর পড়তে বসেছি। শিক্ষিকা বেত হাতে আমাদের মাঝখানে। প্লাস্টিকের বর্ণপরিচয় বই খুলে অক্ষরগুলোর উপর আঙ্গুল রেখে পড়ছি।  শিক্ষক বললেন- স্বর-এ- অ্

আমরা চিৎকার করে বললাম- স্বর-এ- অ্

শিক্ষক বললেন- স্বর-এ- অ্ তে অজগর।

আমরা বললাম- স্বর-এ- অ্ তে অজগর।

শিক্ষক বললেন- অজগরটি আসছে তেড়ে।

আমরা বললাম- অজগরটি আসছে তেড়ে।

...এভাবে

শিক্ষক বললেন- আমটি আমি খাব পেড়ে।

আমরা সোৎসাহে চিৎকার দিলাম- আমটি আমি খাব পেড়ে।  কারণ অজগর তেড়ে আসার বদলে আম পেড়ে খাওয়া অনেক মজার।মোটামুটি এভাবেই আমাদের বর্ণমালা শেখা চলতো। যার গলায় যতো জোর আছে, সে ততো জোরে পড়তো।  কারণ বেশি জোরে পড়লে নাকি তাড়াতাড়ি শেখা হয়।  আর গলাটা সবার আগে বেহেশতে বা স্বর্গে যাবে।  পড়ার পর লেখার পালা।  শিক্ষক সবার শ্লেটে অ-আ-ই-ঈ বড় করে লিখে দিতেন, আমরা সেগুলোর উপর হাত ঘুরাতাম।  এভাবে ঘুরাতে ঘুরাতে বর্ণমালা লেখা শিখে যেতাম।

 গতানুগতিক পদ্ধতির সংজ্ঞা নির্ধারণ:


এই যে পদ্ধতিতে আমরা ছোটবেলায় বর্ণমালা শিখেছি, এটাকে বলা হয় বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতি।  এতে প্রথমে স্বরবর্ণ ও পরে ব্যঞ্জনবর্ণ ক্রমানুসারে শিখতে হতো।  এখনও বিভিন্ন জায়গায় এই পদ্ধতিতে পড়ানো হয়।।  আমরা যখন এভাবে বর্ণমালা শিখছিলাম, তখনই পশ্চিমে বিভিন্ন দেশে এই পদ্ধতিতে বর্ণমালা শেখানো সম্পর্কে সমালোচনা শুরু হয়।  কারণ এই পদ্ধতিতে বর্ণমালা শিখতে গিয়ে শিশু মূলত বর্ণের বিমুর্ত রূপের সাথে পরিচিত হয় এবং বলা হয় এই প্রক্রিয়ায় শেখাটা শিশুদের কাছে মোটেও আনন্দজনক নয়।  এ সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণাও  রয়েছে।
 
এই যে এখানে ‘অ’ বর্ণটি শেখানো হচ্ছে, এতে শিশু আসলে কী শিখছে।  শিশু শিখছে একটা ‘অ’- আর কিছু না।  শিশু শুধু জানে এটা তাকে শিখতে হবে; কিন্তু কেন শিখতে হবে এবং ‘অ’-এর সাথে কীসের কীসের সংযোগ ঘটবে- তা সে জানে না।  বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে কীসের সাথে কীসের সংযোগ ঘটানো যায়, সে বিষয়টি শিশুর কাছে অজানা থাকে।  ফলে শিশুকে এখানে মোটামুটি আনন্দ ছাড়াই একটা বড়সড় ‘অ’ শিখতে হচ্ছে।  শিশু মনস্তত্ব বলে, বর্ণমালা পুরোপুরি শেখার পর শিশু তখনও বুঝে উঠতে পারে না এগুলো সে কেন শিখলো। শিশু শুধু জানে, শিক্ষক শিখতে বলছেন, তাই শিখতে হবে।


শব্দানুক্রমিক পদ্ধতির অবতারনা:


বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতি সমালোচনা আসতে থাকায় শব্দানুক্রমিক পদ্ধতি আসলো।  এই পদ্ধতিতে শিশুকে প্রথমে শব্দ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। পরে শব্দের কোথায় বর্ণটি আছে, সেটি দেখিয়ে বর্ণটি শেখানো হয়।  যেমন শিশুকে বলা হলো-


আম খেতে ভারি মজা! এটি একটি আম।

এখানে ‘আম’ শব্দটিতে ‘আ’ এবং ‘ম’ দুটো বর্ণ আছে।  সুতরাং এই পদ্ধতিতে একটি বস্তুগত বিষয়কে ধরে শিশু একইসাথে দুটো বর্ণ শিখে গেলো।  একটা সময় পরে দেখা গেলো, যতোটুকু ভাবা হয়েছিলো, এই পদ্ধতিতেও শিশুর শিখন ততোটা আনন্দদায়ক ও ফলপ্রসু নয়। এরই ধারাবাহিকতায় 'বাজারে আসে' বাক্যানুক্রমিক পদ্ধতি।  এবং এই পদ্ধতিই এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনুসৃত হচ্ছে।  আমাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবির বইগুলোও বাক্যানুক্রমিক পদ্ধতিতে সাজানো।  এই পদ্ধতির মূল কথা হচ্ছে, বর্ণ বা শব্দ সম্পর্কে জানার আগেই শিশু অন্যের সাহায্যে বাক্য পড়বে প্রথমে।  সেটা একটি সম্পূর্ণ বাক্য হতে পারে; কিংবা ছড়া বা গল্প পড়েও হতে পারে।  অর্থাৎ অ বা অজগর শেখার আগেই শিশু পড়বে ‘অজগর সাপ অনেক বড়’  কিংবা ছোট ছোট ছড়া বা গল্পগুলো শিক্ষক বা পিতামাতার সাহায্য নিয়ে আগে পড়বে।

 ভাষা ও বর্ণমালা শেখার মাধ্যম হিসাবে বাক্যানুক্রমিক পদ্ধতি:


অন্য আলোচনা বাদ দিয়ে ধরে নিচ্ছি, শিশুকে আমরা বাক্যানুক্রমিক পদ্ধতিতে বর্ণমালা শেখাবো।  সেক্ষেত্রে শিশুকে বর্ণমালা শেখানোর জন্য কিছু উপকরণ হাতে রাখতে হবে।  এক্ষেত্রে পড়া ও লেখার কাজটা একসাথে করতে হবে।

(ক) বর্ণমালার বই।  বইটি কেমন হবে সেই আলোচনা আসবে একটু পরেই।  এমনকি এই বই আপনি নিজেও বানিয়ে নিতে পারবেন।

(খ) সম্ভব হলে শ্লেট ও চকের মাধ্যমে শিশুকে লেখা শেখানো উচিত।  শ্লেট না পাওয়া গেলে কাগজ ও পেনসিল।  পেনসিলের অবর্তমানে কালির কলম।  এবং এর কোনোটিই না পাওয়া গেলে তবে বলপয়েন্ট কলম।  কারণ শিশুরা যখন লেখা শেখে তখন যথাসম্ভব খসখসে কাগজ ও কলম ব্যবহার করা উচিত।  তাতে তারা সহজে বর্ণের গঠন ও আকার লিখতে পারবে।  এক্ষেত্রে কাগজ ও কলম যতো অমসৃণ হয়, ততোই শিশুর জন্য মঙ্গলজনক হবে।  খসখসে কাগজে শিশু যতো সহজে সোজা দাগ ও দাগের বাক ঘোরাতে পারবে, মসৃণ কাগজে সেটা ততো সহজে পারবে না।  এক্ষেত্রে বর্ণের আকার বেঁকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।  সুতরাং শ্লেট ও চক যোগাড় করতে পারলে খুবই ভালো।


(গ) শিক্ষকের হাসিখুশি মুখ ও সাহায্যকারী মনোভাব। এটা খুবই মনে রাখা দরকার যে, এই শিক্ষক (তিনি আনুষ্ঠানিক শিক্ষকও হতে পারেন, পিতামাতাও হতে পারেন) আসলে শিশুকে পড়াতে যাচ্ছেন না; বরং তিনি ও শিশু মিলে কিছু একটা কাজ করতে যাচ্ছেন।  আজকে তাদের কাজ হলো- দুজনে মিলে ‘অ’ ‘আ’ পড়বেন ও লিখবেন।

শিশুকে পড়া ও লেখার পুবে যা করাতে হবে:

এক্ষেত্রে আরেকটা কাজ করা দরকার।  আনুষ্ঠানিক পড়ায় আসার আগে শিশুকে দিয়ে কিছু দাগ ও আকৃতি প্র্যাকটিস করিয়ে নিতে হবে। যেমন-
 - - - - - - - - - - - - - - - -

| | | | | | | | | | | | | | | | | | | | | | | |

/ / / / / / / / / / / / / / / / / / / / /

\ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \

< < < < < < < < < < < < <

> > > > > > > > > > > > >

[ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [

) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) )

( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( (

~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~


এই কাজগুলো করতে গিয়ে শিশু মোটামুটি বর্ণমালা শেখার প্রাথমিক রেখাগুলো আয়ত্ত করতে পারবে।  আর একবার আয়ত্ত করতে পারলে শিশু সহজেই বর্ণমালা লিখতে পারবে।

কোনটি আগে ‘পড়া’ না ’লেখা’?

এখন পড়া ও লেখার কাজটা কোথাও কোথাও একসাথে চলবে, কখনও বা পড়ার কাজটা আগে হবে, কখনও পরে।  সেটা নির্ভর করবে পরিবেশ, শিশু কতোক্ষণ পড়তে চায় এবং পড়ালেখার জন্য কী উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোর ওপর। আপনার কাছে যদি খুব ভালো বই থাকে এবং আপনি শিশুকে আনন্দসহকারে পড়াতে পারেন, তাহলে এক বসাতেই অনেককিছু শেখাতে পারবেন। মনে রাখতে হবে, শিশু যতোক্ষণ পড়তে চায়, তার বেশি পড়ানোর জন্য জোরাজুরি করা যাবে না। সেজন্য সব বই, উপকরণ ও শ্লেট-পেনসিল একসাথে নিয়ে শিশুর সাথে বসে পড়াটাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

যেভাবে পড়ানো শুরু করবেন:

ঐতিহ্য অনুযায়ী ধরা যাক শিশুকে ‘অ’ দিয়ে পড়ানো শুরু করবেন।  সেক্ষেত্রে বইয়ের বাম পাশে বা উপরে থাকবে ‘অজগর’-এর ছবি।

অজগর সাপ অনেক বড়


আমটি তুমি হাতে ধর


এবার আপনি প্রথমে ছবি দেখিয়ে পরে লেখাগুলোর ওপর আঙ্গুল বুলাতে বুলাতে জোরে পড়বেন- অজগর সাপ অনেক বড়।  এখানে আপনি যখন যে শব্দটি পড়বেন, কেবল তখনই সেই শব্দের উপর আঙ্গুল রাখবেন।  আগের বা পরের শব্দের উপর আঙ্গুল রাখবেন না।  আপনার পড়ার পর শিশু আঙ্গুল দিয়ে পড়বে- অজগর সাপ অনেক বড়।  এখানেও শিশু যখন যে শব্দটি পড়বে, সেটির উপর আঙ্গুল রেখে পড়ানোর অভ্যাস করাতে হবে। 

আপনি পড়বেন- আমটি তুমি হাতে ধর।


শিশু বলবে- আমটি তুমি হাতে ধর।


এইভাবে পুরোটা শেষ করবেন।  প্রশ্ন হলো, শিশুকে এভাবে পড়িয়ে লাভ কী? উত্তর হচ্ছে- এভাবে পড়িয়ে লাভ হচ্ছে, শিশু ছন্দে ছন্দে পুরো বিষয়টি পড়বে এবং এক ধরনের আনন্দ লাভ করবে।  সে বুঝবে তাকে আসলে কিছুই শেখানো হচ্ছে না, বরং দুজনে মিলে ছন্দে ছন্দে কিছু একটা পড়ছে।  এটিই সবচেয়ে বড় লাভ।  শিশু যদি বুঝতে পারে তাকে শেখানো হচ্ছে, তাহলে কিন্তু মহাসর্বনাশ!


শোনা ও বলার প্রতি  ও বাক্য শনাক্ত করার উপর জোর দিন!


এভাবে বেশ কিছুদিন পড়ানোর পর আপনি একেকটা বাক্য বলবেন এবং শিশুকে জিজ্ঞেস করবেন বাক্যটি কোথায় আছে তা বের করতে। যেমন- ‘অজগর সাপ অনেক বড়’- এটা কোন জায়গায় আছে? শিশু আপনাকে দেখিয়ে দিবে এই বাক্যটি কোন ছবির সাথে আছে।  যতোক্ষণ না পর্যন্ত শিশু এভাবে সবগুলো বাক্য চিহ্নিত করতে পারে, ততোক্ষণ আপনি তার সাথে ছন্দে ছন্দে বাক্য পড়তে থাকবেন।  কখনও শুধু আপনি পড়বেন, কখনও শুধু শিশুই পড়বে।  তবে সুখের কথা, এগুলো চিহ্নিত করতে শিশু বেশিদিন সময় নেয় না।। 

শব্দ শনাক্ত করতে দিন

পরবর্তীতে বাক্যগুলো থেকে শিশুকে টুকটাক দু’একটা শব্দ কোথায় কোথায় কোথায় আছে তা জিজ্ঞেস করবেন। যেমন- অজগর সাপ অনেক বড়- এখানে অজগর শব্দ কোনটা? অবাক বিস্ময়ে আপনি লক্ষ করবেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিশু নির্ভুল উত্তর দিচ্ছে।  তার মানে শিশু ছবির সাথে শব্দের সংযোগ ঘটাতে পারছে, যদিও সে জানে না ‘অজগর’ শব্দটি কী কী বর্ণ দিয়ে গঠিত।  এভাবে মোটামুটি অনেকগুলো বলতে পারলে পরবর্তী ধাপে যেতে পারেন।


মূল শব্দ হতে আপনি যে বর্ণটি শেখাতে চান সেটিকে হাইলাইট করুন


এভাবে পড়াতে গিয়ে যখন দেখলেন শিশু মোটামুটি শব্দগুলো পড়তে পারছে, তখন যাবেন বর্ণের দিকে।  এক্ষেত্রেও কোনো কিছু খুঁজে বের করার নীতি অনুসরণ করতে হবে।  যেমন- অজগর শব্দটি দেখিয়ে এর মধ্যে ‘এই ‘অ’ বর্ণটি কোথায় কোথায় আছে চলো বের করি’ বলে অন্যান্য বাক্যে ‘অ’ বর্ণটি বের করবেন।  দেখুন, এতে শিশু প্রথমবারের মতো জানছে এটি ‘অ’ এবং এটাকে বর্ণ বলে। আপনার আর কিছু বলার দরকার নেই। শিশু যদি প্রশ্ন করে বর্ণ কী? তাহলে আপনি বলতে পারেন- এই যে ‘অ’ এটাকে বলে একটা বর্ণ।   এরকম এই ‘আ’ এটা হচ্ছে আরেকটা বর্ণ।


ধরে নিচ্ছি মোট দশটি শব্দে শিশু ‘অ’ বর্ণটি খুঁজে পেলো।  সেগুলো আপনারা দুজন মিলে দাগ দিয়ে রাখলেন। এখন ওই বই ছাড়াও অন্যান্য উপকরণে এমনকি বাংলা পত্রিকার বড় বড় শিরোনামে দুজনে মিলে ‘অ’ খুঁজতে পারেন। এ সময় দশটি শিরোনামে আপনারা দুজন কয়টি ‘অ’ খুঁজে পেলেন, তা গুনতে শুরু করবেন।  দেখবেন, বর্ণ শেখার সাথে সাথে শিশু গুনতেও শিখে যাচ্ছে।


অ-এর পর আ, ই এভাবে এগুতে পারেন, কিংবা যখন যেটা সামনে পড়বে, সেটা নিয়েও এগুতে পারেন।  এক্ষেত্রে ক্রম বজায় রাখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়।  যেমন- অজগর শব্দে প্রথমে পুরো বই থেকে ‘অ’ খুঁজে বের করলেন, পরে ‘জ’, ‘গ’ ও ‘র’ খুঁজে বের করতে পারেন।  একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, ‘অ’ শব্দটি শিশু শব্দের প্রথমেই পাবে।  বাকি তিনটি শব্দের ভেতরেও থাকতে পারে। কারণ স্বরবর্ণ সবসময়ই শব্দের প্রথমে বসে।  তা থাকুক, খুব সহজেই শিশু এগুলো বের করতে পারবে।  এই পর্যায়ে আর কিছু না করানোই ভালো।


চিনতে পারলে তবেই লেখা

এবার লেখার পালা।  আপনি আগেই শিশুকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের দাগ টানিয়েছেন।  এখন সেগুলো আবার চর্চা করান।  তারপর বর্ণ লিখতে শুরু করুন একটু অন্যভাবে 
প্রথমে সহজ ও একইরকম দেখতে বর্ণগুলো দিয়ে লেখা শুরু করান।  যেমন-।  এটি শ্লেটে লিখে শিশুকে লিখতে দিতে পারেন।  যেহেতু শিশু আগেই 'ব' লেখার মতো সবগুলো দাগ আঁকার চর্চা করেছেন, সুতরাং আপনি দু’একবার দেখিয়ে দিলে খুব সহজেই সেটি লিখতে পারার কথা। প্ রয়োজনে আলাদা কাগজ-কলমে আপনিও তার সাথে লিখুন।  লক্ষ রাখতে হবে, লিখতে গিয়ে শিশু বর্ণের আকৃতি বদলে ফেলছে কিনা বা ভুল লিখছে কিনা।  'ব' লেখার পর ব-এর মতো দেখতে অক্ষরগুলো লেখা শিখান।  এভাবে বর্ণমালার পুরো ৫০টি বর্ণই শেখাতে পারেন।  আগেই বলেছি, এই পর্যায়ে ক্রমঅনুসারে শেখানোটা গুরুত্বপূর্ণ না। পড়তে ও লিখতে শেখাটাই প্রধান।  কোনটির পর কোনটি শেখালে ভালো হয় তার একটি ধারাবাহিক রূপ আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।  তবে এগুলো আপনি নিজেও সাজিয়ে নিতে পারেন।  এক্ষেত্রে একেক শিশুর একেক অক্ষরে প্রতি ঝোঁক থাকতে পারে। শিশুর আগ্রহ দেখে এগুলো সাজিয়ে নেওয়াটাই শ্রেয়। পুরো বইয়ে শিশু যদি গরুর ছবি দেখে বেশি আনন্দ পায়, তাহলে ‘গ’ বর্ণটি দিয়েও বর্ণ লেখা শেখানো শুরু করতে পারেন।  তবে স্বাভাবিক অবস্থায় নিচের ক্রমটি অনুসরণ করাই শ্রেয়। এতে সহজ থেকে কঠিন অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।




ব র ঝ ক ধ ঋ

খ ঘ হ থ ফ ম য য় ষ

ড ড় উ ঊ ভ জ ঙ

ত অ আ

ঢ ঢ় ট চ ছ

এ ঐ ঞ

গ প

ণ ন ল শ







ও ঔ



ঃ ং ৎ ঁ


বর্ণগুলো শিশু লিখতে পারলে আবার ‘অজগর’ সাপটি দেখিয়ে ‘অজগর’ শব্দটি বের করতে বলেন।  বের করার পর সেটি লিখতে বলুন। দেখবেন, শিশু খুব তাড়াতাড়িই বর্ণের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলবে। পাশাপাশি আরেকটি কাজও করতে পারেন- পুরোপুরি না শিখিয়ে কয়েকটি বর্ণ শেখানোর পর সেখান থেকে শব্দ বের করেও শব্দ লেখার চর্চা শুরু করতে পারেন। যেমন- ব ও ক শেখার পর আপনি অনায়াসেই বক লেখাতে পারেন বকের ছবি দেখিয়ে।


আজকে আপাতত শেষ।  তবে শেষ করার আগে কিছু সতর্কবার্তা।


সতর্কবার্তা এক. শিশুকে কখনও স্বর-এ- অ্, স্বর-এ- আ্ শেখাবেন না।  সোজাসাপ্টা অ আ বলাবেন।  হ্রস্ব-ই, দীর্ঘ-ই ইত্যাদি শেখানে পুরোপুরি নিষেধ।  শেখাতে হবে আ (আআ), ই (ই), ঈ (ইই), উ (), ঊ (উউ)।  অর্থাৎ যেখানে স্বর দীর্ঘ, সেখানে দীর্ঘভাবে উচ্চারণ করাতে শিখাবেন, যেখানে স্বর হ্রস্ব সেখানে হ্রস্বভাবেই শেখাবেন।


সতর্কবার্তা দুই. বইয়ের বাক্যগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।  এক্ষেত্রে যাদের সামর্থ ও সুযোগ আছে, তারা নিজেরই কম্পিউটারে বই বানিয়ে নিতে পারেন।  যেমন- ব্যক্তিগতভাবে 'অ-তে অজগরটি আসছে তেড়ে' পড়ার পুরোপুরি বিপক্ষে আমি।  এই বাক্য দিয়ে ছোটবেলা থেকেই শিশুর মনে সাপের ভীতি ঢুকিয়ে দেয়া হয়।  বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, ছোট ছোট এসব প্রপঞ্চ শিশুর মনে বিরাট প্রভাব ফেলে।  সুতরাং বিতর্কিত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলুন।  বরং আপনি নিজেই 'অজগর সাপটি অনেক বড়' বা এই ধরনের বাক্য বানাতে পারেন।  তাতে বিষয় বা বস্তু সম্পর্কে শিশু এক ধরনের আইডিয়া পাবে।  অজগর সাপ যে বড় সাপ, সেটি আর শিশুকে নতুন করে শেখাতে হবে না।


সতর্কবার্তা তিন. নিজে নিজে বাক্য বানিয়ে শিশুকে শেখানোর ক্ষেত্রেও সাবধান থাকতে হবে। এক্ষেত্রে শিশুর রুচি-আগ্রহ ইত্যাদিকে সম্মান জানাতে হবে।  আপনি হয়তো ঠিক করলেন শিশুকে শেখাবেন- আপেল খেতে ভারি মজা! কিন্তু দেখা গেল আপেল খেতে শিশুর আদৌ আগ্রহ নেই, বরং আপেলের বদলে আম খেতে তার ভালো লাগে।  সেক্ষেত্রে 'আম খেতে ভারি মজা' দিয়ে বাক্যগঠনই শ্রেয়।


সতর্কবার্তা চার. শব্দের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।  কখনই ভেগ বা বিমুর্ত বিষয় বা উদাহরণ দিয়ে শিশুকে বর্ণ শেখাতে যাবেন না।  এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।  যেমন- 'স' দিয়ে আপনি বুঝাতে চাইলেন সুখী মানুষ।  এক্ষেত্রে স-এর পাশে একটি সুখী মানুষের ছবি থাকার সম্ভাবনা বেশি যে কিনা হাসিখুশি মুখে তাকিয়ে আছি। সাবধান! শিশু কিন্তু এক্ষেত্রে ভুল বুঝতে পারে।  সে মনে করতে পারে, মানুষ মাত্রই সুখী।  কিংবা সে বুঝতেই পারবে না এটি দিয়ে সুখ বুঝানো হচ্ছে।  বরং সে মনে করতে পারে, সুখী = মানুষের মুখ।  সুতরাং যতোদূর সম্ভব বিমুর্ত শব্দ পরিহার করুন।

আপাতত এইটুকুই।  মোটামুটি সহজভাবে বিষয়টা বলার চেষ্টা করলাম।  এর মাঝে হয়তো অনেককিছু বলার বাকি রয়ে গেছে।  মন্তব্য থেকে বা পরে মনে আসলে সেগুলো যোগ করে দিবো।। আপনার কোন আইডিয়া যা আমাদের কোমল মতি শিশুদের জন্য হিতকর তা শেয়ার করতে নিচের কমেন্ট বক্সে লিখুন, পরবর্তীতে কোন লেখার তা গ্রহন যোগ্যমনে হলে অবশ্য বিবেচনায় আনা হবে। 
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০১৬

গুগল Blogger Template এর Basic Structure যা আপনার ব্লগার বা লেখক হিসাবে কাজ আসবেই!

সবাইকে ইনফোটকলাইফ.কম এর পক্ষ থেকে জানাই একরাশ শুভেচ্ছা, আশা করি ভাল আছেন সবাই।  একজন দক্ষ ব্লগার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই আপনাকে ব্লগার টেমপ্লেট সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে।  তা না থাকলে আপনি আপনার প্রয়োজনে আপনার সাধের ব্লগটিকে আপনার মনের মত করে সাজাতে পারবেন না।  তো যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি।  গুগল ব্লগ টেম্প্লেট ডিজাই, ডেকরেট, এবং তা এডিট করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ব্লগার টেমপ্লেট সম্পর্কে ন্যুনতম জ্ঞান রাখতে হবেই হবে।  প্রকৃতপক্ষে প্রত্যেকটি টেমপ্লেট এর কিছু আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকলে এদের মাঝে কিছু ব্যাসিক মিল রয়েছে।  আর এই Basic Structure জানলেই আপনি অতি সহজেই বিদ্যমান টেমপ্লেটটিকে ঢেলে সাজাতে, নতুন টেমপ্লেট তৈরী করতে, একে বিভিন্ন আকৃতি দিতে পারবেন।  টেম্প্লেটর এর কিছু অংশ আছে যেগুলো দৃশ্যমান বা এগুলো আমরা প্রত্যেকটি টেমপ্লেটে দেখতে পাই যেমন ধরুন, Headers, Footers and Post Sections. প্রত্যেকটি ব্লগটেমপ্লেটে এমন কতকগুলো Sectioons আছে যেগুলো আমারা দেখতে পাইনা যার উপর পুরো দৃশ্যমান কাঠামোটি দাঁড়িয়ে থাকে।  আমি এগুলোকে সাধারনত: block অথবা containers বলে থাকি।  যা পরে আলোচনায় আসবে আশা রাখি।  এগুলোকে বুঝতে আপনার HTML জ্ঞান অতীব জুরুরী।

শুরুতেই বলে রাখি, একটি ব্লগার টেম্প্লেটে সাধারনত: নীচের Blocks অথবা  Containers রয়েছে।  নিচের চিত্র বা ইমেইজটি ভাল করে লক্ষ্য করুন।  এগুলো নিয়ে আজ আমারা আলাদা ভাবে আলোচনা করব।

 আসুন আমরা এখন বড় বড় ব্লক থেকে ছোট ব্লকগুলোর দিকে আলোচনাক্রমে অগ্রসর হই-
১. Body:  একটি ওয়েব টেমপ্লেটের সবচেয়ে প্রধান যে কাঠামো যা কে আমরা একটি ব্রাউজারে কম্পিউটার Screen এ পুরোটা জায়গা জুড়ে দেখতে পাই সেটিই হল Body ব্লক।   সমুদ্রের মধ্য একটি বহুতল বিশিষ্ট্য জাহাজ যে কাঠামোটার উপর ভর করে ভেসে থাকে ঠিক তেমনি  ইন্টারনেট সদৃশ এই বিশাল সাগরে Body নামক Block বা কাঠামোর উপরেই পুরো ওয়েব সাইটি আমাদের নিকট সুন্দর ভাবে দৃশ্যমান হয়। 
২. Outer-wraper: এই Container বা Block টিতেই একটি ওয়েব সাইটের পুরো ডায়াগ্রাম টি আঁকা হয়। ( Body হল টেম্প্লেটের বাইরের অংশ।  উপরের চিত্রে ভাল করে লক্ষ্য করুন। ) সাধারনতঃ Wrapper তৈরী করা হয় এদের মাঝে ছোট ছোট অনেকগুলো ব্লক বসানোর জন্য।  এই Outer Wrapper এর মধ্যে Header, Content,র্এবং Footer ব্লক বসানো হয়েছে।
৩. Header: এই ব্লকটিই হল আপনার ব্লগের সব উপরের অংশ( নামটা বেশ সুস্পষ্ট)। কিন্তু এই ব্লকের মধ্যে আপনি অনেকগুলো সাব ব্লক পেতে পারেন। যেমন ধরুন- The header Title ব্লক, The header description ব্লক এবং অন্যান্য আরও কিছু ব্লক যেমন এডসেন্স ব্যানার মেনুবার ইত্যাদি।  তাইেএই সকল সাব ব্লকগুলোকে একটি বড় কন্টেইনার এর মধ্যে মুড়িয়ে রাখার দরকার হয়।  Header সেকশনের এই কন্টেইনারটিই হল Header wrapper যা সকল সাব-ব্লককে একস্থানে রাখে।
৪. Content: Header এর নিচেই রয়েছে Content wrapper- সাধারনতঃ এটিই সকল ব্লক বা কন্টেইনার এর মধ্যে সবচেয়ে ‍গুরত্বপুর্ন।  কারন এর মধ্যেই রয়েছে Sidebar Containers( যেমন ধরুন Sidebar ১,২,৩ ইত্যাদি)  এবং Main Container (যেমন পোস্টস, কমেন্টুস অথবা কিছু বিজ্ঞাপন)
৫. Footer: ওয়েব টেম্প্লেটের সর্ব নিচের কন্টেইনারটিই হল Footer ।  Header সেকশনের মতেই এ সেকশনেও এর অন্তর্গত অন্যান্য ব্লককে ধরে রাখতে Footer Wrapper দরকার হবে।
৬. Main:  এটি Content wrapper এর একটি সাব-ব্লক।  Main wrapper হল Main Section এর বাইরের অংশ।  আর এই Main wrapper হল Post block, Comment block,  Date header এবং আন্যান্য Widget সমুহ যা Add page element Option  হতে সৃষ্টি হয়।
৭. Sidebar: Sidebar হল সেই ব্লক যার মধ্যে সকল Side Widgets দৃশ্যমান হয়।  যেমন- About Me, Levels, Archive, Text, HTML, Adsense ইত্যাদি।  একটি Standard Template এ সাধারনতঃ আপনি একটি সাইডবার খুজে পাবেন।  এটিকে ২ কলাম টেম্প্লেট বলা হয়( ১ম টি Main ২য় টি ‍Sidebar)।  কিন্তু এতে একাধিক সাইডবার যোগ করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। এমনই একটি টেম্প্লেট হল ২ টি সাইড বার বা কলাম বিশিষ্ট টেম্প্লেট।  যদি আপনি একবার এই টেম্প্লেটের গঠন বা ‍Structure বুঝে যান তাহলে আপনি অনায়াসে এই অংশে সাইডবার যোগ করতে বা রিমুভ করতে পারবেন।
৮. Blogpost: এই ব্লকটিতে রয়েছে আপনার লেখা পোস্ট টাইটেল(post title), পোস্ট(posts) , পোস্ট অথর(post authors), লেভেল (label) ইত্যাদি অপশন।


উপরের আলোচনা হতে যা বুঝলেন তা একবার একনজরে দেখে নিন আপনার আইডিয়াটা আরও পরিস্কার হবে।
তো কি বুঝলেন মশাই? একবার যদি আপনি এই বেসিক স্ট্রাকচারটি আয়ত্ব করতে পারেন, তবে ব্লগার টেমপ্লেট Code এর গঠন বুঝা আপনার জন্য পানির ন্যায় সোজা মনে হবে।  Code structure শেখা বলতে আমি CSS ও  HTML শেখাকে বুঝাইনি।  আসলে আমি বুঝাতে চাইছি কিভাবে Code গুলো অর্গানাইজড করা থাকে তাকে।  আমি দেখেছি ওয়েব প্রোগামিং এর ন্যুনতম জ্ঞান নিয়ে একজন কেউ যদি এই স্ট্রাকচারটি একবার ভালভাবে বোঝেন সে সুন্দর ও দক্ষভাবে ব্লগারের ওয়েব টেম্প্লেটক কাস্টমাইজ করতে পারেন।  আপনি চেষ্টা করলেও পারবেন ইনশাল্লাহ।  শুধু প্রযোজন একটু ধৈর্য আর  আমার এই ব্লগে ঢুঁ মারা।  হা! হা! হা! ভাল থাকবেন সবাই খুব শিঘ্রই পরের পর্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে ফিরছি।
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৬

ইবনে তাইমিয়া, নজদী ,প্রিন্স সৌদ বংশ এবং আজকের আইএস – একটি পর্যালোচনা

ইরাকে আইএস এর নাটকীয় উত্থানে পশ্চিমাদের অনেকেই কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে সংগঠনটির প্রতি সৌদিদের দোটানা মনোভাবের কারণে পশ্চিমারা আরো বেকুব বনে যায়।  পশ্চিমাদের মনে একটাই প্রশ্ন ছিল, ”সৌদিরা কি বুঝতে পারছে না আইএসআইএস তাদের জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে।” এমনকি এখনো সৌদি আরবের শাসকশ্রেণি এই ইস্যুতে বিভক্ত হয়ে আছে। সৌদির শাসকশ্রেণির একাংশ এই বলে হাত তালি দিচ্ছে, আইএস তাদের শত্রু ইরানের শিয়াদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
 
ইসলাম

আর তা ছাড়া একসময় সুন্নিদের দখলে থাকা ওই অঞ্চলে ফের আরেকটি বড় সুন্নি রাষ্ট্রের জন্ম হচ্ছে। সৌদি শাসকশ্রেণির আরেকটি অংশ আবার সৌদ বংশের বিরুদ্ধে ওহাবি ইখওয়ানিদের বিদ্রোহের কথা স্মরণ করে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।১৯২০ এর দশকে ওহাবিদেরই একটি অংশ সৌদ রাজবংশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বংশটিকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। এরাই ইতিহাসে ওহাবি ইখওয়ান নামে পরিচিত। আইএস-কে নিয়ে সৌদিদের দ্বৈততা এই রাজবংশটির মতবাদ এবং ঐতিহাসিক উৎসে যে দ্বৈততা রয়েছে তার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে। সৌদিদের একটি ধারা এসেছে ওহাবি মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব থেকে। তার মতবাদকে অবলম্বন করেই ইবনে সৌদ নজদের বেদুইন গোত্রগুলোকে একত্র করে সৌদি রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন।

আব্দেল ওয়াহাব
আব্দেল ওয়াহাব

আর এই হতবুদ্ধিকর দ্বৈততার দ্বিতীয় ধারাটির সূচনা হয় ১৯২০ এর দশকে। এ সময় রাজা আবদুল আজিজ সৌদি আরবের ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার গোড়াপত্তন করেন। ব্রিটেন ও আমেরিকার সঙ্গে একটি জাতি-রাষ্ট্র হিসেবে কুটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্যই তিনি একটি সুসংগঠতি রাষ্ট্রব্যবস্থার গোড়াপত্তন করেন। একই লক্ষ্যে তিনি ওহাবি ইখওয়ানিদের বিশৃঙ্খলাও কঠোর হস্তে দমন করেন।

এরপর ১৯৭০ এর দশকে এসে তেলের খনিগুলো থেকে অফুরন্ত প্রেট্রোডলার আয়ের সুযোগটিও হাতছাড়া করেনি সৌদি রাজবংশ। আর মুসলিম বিশ্বব্যাপী একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ঢেউ তুলে ওহাবি ইখওয়ানিদেরকে সৌদি আরব থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেওয়ারও ব্যবস্থা করেন তিনি। যাতে তারা দেশের ভেতরে আর কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। এই ‘সাংস্কৃতিক বিপ্লব’ এর মূল ভিত্তি ছিল আবদুল ওয়াহাবের বিপ্লবী ইসলামী মতবাদ।

সৌদি রাজ বংশ
প্রিন্স সৌদ

এই মতবাদে ইসলামকে সব ধরনের কুফরি ও শিরকি থেকে মুক্ত করার জন্য সশস্ত্র এবং জিহাদি শুদ্ধি অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। আবদুল ওয়াহাব মতাদর্শগত দিক থেকে ১৪ শতকের ইসলামী পণ্ডিত ইবনে তাইমিয়ার ভাবশিষ্য ছিলেন। আব্দুল ওয়াহাবও তাইমিয়ার মতো খুবই বিশুদ্ধাচারী মতবাদের অধিকারী ছিলেন। তিনি ইসলামের প্রথমদিককার সাদাসিধে জীবনাচার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। জাঁকজমক, সৃজনশীলতা, ধূমপান, মাদক সেবন, মিসরীয় ও অটোমান মুসলিমদের আভিজাত্য এসবকে অনৈসলামিক আচার বলে আখ্যায়িত করেন। আবদুল ওয়াহাবের মতে এরা সত্যিকার মুসলিম নয়; ভণ্ড ও আত্মপ্রতারক মুসলিম।

এমনকি স্থানীয় বেদুইনদের জীবন যাত্রাকেও আব্দুল ওয়াহাব অনৈসলামিক বলে ঘোষণা করেন। কারণ এরা সাধু-সন্তদের ভক্তি করতো এবং তাদের মাজার বানিয়ে পুঁজো করতো। ইসলামবহির্ভূত বিভিন্ন কুসংস্কারেও বিশ্বাস করতো। আবদুল ওয়াহাব এই সব ধরনের আচার-বিহারকে বিদাআ’ত বা আল্লাহ কর্তৃক নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেন। ইবনে তাইমিয়ার মতো আব্দুল ওয়াহাবও মদীনায় মোহাম্মদ (সা.) এর প্রতিষ্ঠিত সমাজ ব্যবস্থাকেই আদর্শ ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা বলে মনে করতেন। আর সকল মুসলিমের সেদিকে ফিরে যাওয়া উচিৎ বলেও মনে করতেন তিনি। সালাফি মতবাদেরও একই মূলকথা।

ইবনে তাইমিয়াহ

ইবনে তাইমিয়া শিয়া ইসলামী মতবাদ, সুফি মতবাদ ও গ্রিক দর্শনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। এমনকি মহানবীর কবর জিয়ারত এবং জন্মদিন পালনেরও ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি। তার মতে এসব মূলত খ্রিষ্টানদের যিশুকে ঈশ্বর হিসেবে পূজার ধারণা থেকে এসেছে। আবদুল ওয়াহাবও ইবনে তাইমিয়ার ইসলাম সম্পর্কিত এই ধ্যান-ধারণা গ্রহণ করে ঘোষণা করেন, যারা ইসলামের এই বিশেষ ব্যাখ্যাকেই ইসলামের একমাত্র ব্যাখ্যা হিসেবে গ্রহণ করে নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করবে না তাদেরকে সম্পত্তি ও বেঁচে থাকার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে। আবদুল ওয়াহাব সকল মুসলিমকে ব্যক্তিগতভাবে একজন খলিফার প্রতি আনুগত্য পোষণ করতে হবে বলে ঘোষণা দেন। আর যারা তার এই ইসলামী মতবাদ মানবে না তাদেরকে হত্যা করা হবে, তাদের স্ত্রী ও কন্যাদের ধর্ষণ এবং তাদের ধন-সম্পদ লুট করা যাবে। এমনটাই লিখেছেন আবদুল ওয়াহাব।

তার মতে শিয়া এবং সুফি মুসলিমদেরকেও হত্যা করা যাবে। আর এর বাইরে যারা আছে তাদেরকেতো তিনি মুসলিমই মনে করতেন না। আইএস এর ধ্যান-ধারণাগুলোর সঙ্গেও এই মতবাদের কোনো ফারাক নেই। পরবর্তীতে আবদুল ওয়াহাবের ‘এক শাসক, এক কর্তৃত্ব, এক মসজিদ’ নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়া হয় সৌদি রাজাদের কর্তৃত্বকে বোঝানোর জন্যও। আর সেখানেই আইএস এর সঙ্গে সৌদি আরবের ওয়াহাবি মতবাদের পার্থক্যটা ধরা পড়ে। আইএস সৌদি রাজতন্ত্রের ক্ষমতার এই তিন স্তম্ভকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
 
শিয়া বনাম সুন্নি


অথচ এই তিন ধারণার ওপরই সৌদি আরবের সুন্নি রাজতন্ত্রটির কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা টিকে আছে। এই ধারণাগুলো অস্বীকার করার কারণেই আইএস সৌদি রাজতন্ত্রের জন্যও বড় এবং গভীর একটি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks