পৃষ্ঠাসমূহ

.

বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

নিমুজ্জীত প্রাণ।

নিমুজ্জীত প্রাণ।
                  _____মোঃ কামাল হোসেন।

আমিতো গভীর অন্ধকারে থাকতে চেয়েছিলাম।
বিভোর আমি!
তবে কোন নদীর চ্ছল চ্ছল শব্দে জেগে উঠলাম আবার।
পূর্নিমার চাঁদ, কেনো অলস হৃদয়ে আঁছড়ে পড়ছে বারবার।
আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম।
আমিতো ভেবে নিয়েছিলাম জাগবনা কোনোদিন। অন্ধকারে সূর্যকে ডুবিয়ে ফেলে আবার ঘুমোতে চেয়েছি আমি।
তবে কেনো ?
হে নীল কস্তুরী আভার চাঁদ, তুমি দিনের আলোও নও, স্বপ্নও নও, তাহলে কোন আশার আলোই তুমি নিমুজ্জীত প্রাণ ?নিমুজ্জীত প্রাণ।
                  _____মোঃ কামাল হোসেন।


বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

নারীর ছলনা।

'নারীর ছলনা'
 <<<<<<<♥>>>>>>>
*-মোঃ কামাল হোসেন-*

নারী তুমি ছলনাময়ী!
মায়ের জাতি হয়েও কেনো তুমি হও সর্বনাশী,
কখনো জাদুকারিনী কখনো তুমি রহস্যময়ী।
নারী তুমি সৃষ্টিকর্তার মহা সৃষ্টি তুমি মমতাময়ী,
ছলনার আশ্রয়ে ধোকার মায়াজালে করো ছিনিমিনি।

নারী তুমি অশ্লীলতা!
হীজাব আর টাইট ফিটিং বুরকায় করছো মডেলিং,
তাই না দেখে পথের লোকে করছে তা ধিন-তা ধিন।
নিষেধ বাধা না শুনে বলো এখন গর্জে ওঠার দিন,
প্রতিযোগীতার বিজয়ের মুকুট হলো অশ্লীলতার স্বাধীন।

নারী তুমি চিত্তাকর্ষক!
তোমার চিত্তাকর্ষক কথায় উত্তেজনা সৃষ্টি করো,
আদব কায়দা ভুলে গিয়ে পুরুষের পোষাক পরো।
বিজয়ী তুমি চমক সৃষ্টি করে দেশ বিদেশে ঘুরো,
ভাবছো মিছে পুরুষ বাদে গড়বে দিনের  আলো।

নারী তুমি বিরহী ছন্দ!
কতো ছেলেদের স্বপ্ন দেখিয়ে করেছো লন্ড ভন্ড।
তোমার প্রেমে বন্দি প্রেমিকদের মনে দিয়েছো দন্ড,
নারী তুমি নিজেও জাননা বড্ড আজব বুঝা বড় দায়,
তোমার দাপটে বিরহীআত্মা হলো অসহায়।

নারী তুমি নরকের পথভ্রষ্ট!
প্রকৃতির মাঝে রঙ্গলীলায় নিজেকে করেছো সোপর্দ,
রূপের ছটায় আঁধার নামিয়ে হয়েছো সস্তায় অভ্যস্ত।
নারী তুমি নিজের ইচ্ছায় স্বর্গ ফেলে নরক নিয়ে ব্যস্ত,
করেছো পাপ শিখিয়ে মন্ত্রজালে নরকে স্পর্স।

নারী তুমি পতিতা!
রুপ যৌবনকে পুঁজি করে পেটের দোহায় দিচ্ছো,
গা-গতরে শক্তি থেকেও কেনো পতিতলায় যাচ্ছো।
সমাজ নষ্ট পরিবেশ নষ্ট দেখতে বেজায় কষ্ট।
পোলাপান আর বৃদ্ধ,যুবকেকে করেছ পাপিষ্ঠ।

নারী তুমি অহংকারী!
কখনো দেমাগি আর কখনো বা দুখের বারি,
অস্বাভাবিক আচরণে দাও যে কতো আড়ি।
নিজেই বুঝো বোঝেনা কেউ, তুমি হলে ধন্য,
মন মন্দিরে গোপন ছলনা পুষে হও অনন্য।

নারী তুমি তিক্ত!
সংসারে তোমার উচ্চকণ্ঠে জীবন করেছ অতিষ্ঠ,
তুমি চাও নিজের কতৃত্ব সংসারের একতৃতীয়াংশ,
সকল ক্ষমতা গুটিয়ে পুরুষকে করেছো সর্বশান্ত।
তোমারি কারণে পরুষ জাতি আজ হলো অশান্ত।

নারী তুমি স্বার্থ লোভী!
নিজ স্বার্থে সুখের সন্ধানে ভালোবাসা ছেড়ে যাও,
ভালোবাসার নামে মিথ্যে অভিনয় ধর্মে যাহা সয়।
নারী তুমি পুরুষের জীবন ধ্বংসের এক মাত্র হাতিয়ার।
তুমি রাঙাতে পারো মনস্পর্শে বিদীর্ন ভালোবাসার।

নারী তুমি বিষন্নতা!
কতো প্রেমকে হত্যা করে হয়েছো তুমি শান্ত,
অর্থের মোহে ছিন্ন করেছো কতো মধুর সম্পর্ক।
হয়তো সুখি,হওনি ক্ষান্ত,হয়েছে বিষায়িত বিষন্য,
তোমার ছলনার হৃদয়ে দহন প্রেমকে করেছো নগ্ন।

নারী তুমি বর্ণচোরা!
তামাশার রঙ কাজল কালো চোখ,শুধু দয়া-মায়া নাই,
তুমি কখনো পাষাণ কখনো আবার গলিত লাভার ন্যায়।
তুমি লাউডগা সাপের মত বহুরূপী বিষের যাতনা।
তুমি বর্ণচোরা দিশাহীন যতো নারীর ছলনা।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

নারী

নারী
 <<<<<<<♥>>>>>>>
*-মোঃ কামাল হোসেন-*

                         নারী তুমি রুপবতি--
              অন্ধকারের উজ্জ্বল নক্ষত্রের ন্যায়।
           নেমে আসা কোনো এক আলোর কিরণ,
   যেখানে আছে ভালোবাসায় ঘেরা এক মায়ার বাঁধন।

                        নারী তুমি গুনবতি--
                 সর্বকালের মহাঔষধের ন্যায়।
         একান্তচারী,সকল উৎসাস প্রেরণার ধরনী,
তোমার এক মুখে হাঁসি আর এক মুখে করো পেরেসানি।

                         নারী তুমি মায়াবিনী--
                    তুমি উত্তাল সাগরের ন্যায়।
            আঁচড়ে পড়া কোনো এক নিস্তব্ধ কিনার,
  যেখানে সীমাহীন মনের ভালোবাসার ছোট্ট সুখের ঘর।

                        নারী তুমি লজ্জ্বাময়ী--
                   তুমি লজ্জ্বাবতি বৃক্ষের ন্যায়।
        কোমল ছোঁয়ায় দেহমন করো নিঃশ্বার্থে দান,
  যেখানে আছে যৌবনা শিহরিত মনের অবুঝমতি প্রাণ।

                       নারী তুমি মনোহারিণী--
                    তুমি সবুজ প্রকৃতির ন্যায়।
          জগত বিশ্বময় করেছো সুশোভিত উচ্ছাস,
       দিয়েছো তুমি শুন্য জীবনে বেঁচে থাকার প্রয়াস।

                    নারী তুমি ছন্দ কবিতা গান--
              নদীর কলতানে  জলতরঙ্গের ন্যায়।
        আছে যত কবি সাহিত্যিক গানের গীতিকার,
    তুমিই মূলধন তোমারি নামে যতো সৃষ্টির অভিসার।

                     নারী তুমি প্রেমের হিমাদ্রী--
             মৃদু প্রভঞ্জনে সোনালী প্রভাতের ন্যায়।
           পদ্মকলি,রজনী-গন্ধা,গোলাপের সৌরভ,
 তুমি ব্যাকুলিত হৃদয়ের পিপাসা মিটানোর মিষ্টি আলাপ।

                           নারী তুমি সঙ্গিনী--
                 তুমি পৌরুষের দীপ্তশিখার ন্যায়।
            আশীর্বাদে হৃদয়ের বন্ধনে অর্ধাঙ্গিনী হও,
  তুমি নারী মূল মন্ত্রে জ্বালাবে আলো ঘরের লক্ষী রও।

                         নারী তুমি গর্ভধারিনী--
                     রত্নপ্রসবিনী বাতাসের ন্যায়।
         জন্ম নিয়েছি তোমারি কোলে তুমিই নিঃশাস,
   তোমরা নারী মায়ের জাতি করি তায় সম্মানে বিশ্বাস।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
[=বি:দ্র-পরবর্তী কবিতা- "নারীর ছলনা"=]

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

অনুভূতির ফাঁসি চাই।

অনুভূতির ফাঁসি চাই।

<<<<<<<♥>>>>>>>
*-মোঃ কামাল হোসেন-*

আমার অনুভুতিরগুলোর ফাঁসি চাই....
যেখানে, লুকিয়ে আছে অভিন্ন কিছু চাওয়া পাওয়া।

ফাঁসি চাই; ব্যাকুল হৃদয়ের অপূর্ণ মনের ভালোবাসার.....
পুড়ে ছারখার হওয়া বিভৎস্য আত্মার।

ফাঁসি চাই; কুৎসিত মনের জঘন্য রুপের....
যেখানে,চরিত্রহীনতা আর কুদৃষ্টিতে ভরা।

ফাঁসি চাই; আবেগের কিছু পাগলামি আর বিষন্ন কিছু সময়ের....
যেখানে আছে অগনতি দিন চোখের জ্বলে ভরা।

ফাঁসি চাই; অব্যক্ত কথামালার অবর্ননিয় প্রত্যাশার....
যা কখনই পূরণ হবার নয়।

ফাঁসি চাই; কল্পনীয় কিছু অনুভূতির ব্যর্থতার....
আছে শুধু স্বার্থ আর লোভ লালসাই ভরা।

ফাঁসি চাই; যতো আছে কুবুদ্ধি আর অপহিংসা....
হোক তা প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

আমার হলো সর্বনাশ।

* আমার হলো সর্বনাশ *
      *<<<<<♥>>>>>*
    মোঃ কামাল হোসেন।
                   ||
      তুক তাক ছয় মাস
    কপালে যা বারো মাস
  দেখতে গিয়ে মাথায় বাঁশ
     আমার হলো সর্বনাশ।

   দেখছি কত দেখব আর
    তোমার গলায় চন্দ্রহার
    বলতে গেলে বারংবার
    দিব্বি দিলে কতো বার।

   ভালো কথার কাল নাই
    আমি গেলে দুঃখ নাই
    দুঃখ পেলে শান্তি নাই
  বলার আছে শোনার নাই।

  নিজের কষ্ট নিজেই রাখি
 চোখ ভিজিয়ে জ্বলে আঁখি
  দেদোর মর্ম দেদোয় রাখি
     তুমি সুখি আমি দুঃখি।

   দেবতার যে লীলা খেলা
 পাপ লিখেছে আমার বেলা
    রঙ্গ নেশায় সুখের মেলা
    ভূলে কালে সারাবেলা।

      কাদা মাটি দেহে বাস
      দম ফুরালে সব শেষ
     দোষে গুনে মানুষ বাস
       শাপ দিওনা সর্বনাশ।


বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৭

অপূর্ন ভালোবাসা।

অপূর্ন ভালোবাসা
         <<<♥>>>
<-মো: কামাল হোসেন->
                 ||
    অপূর্ণ ভালোবাসায়
      মন আমার কাঁদে
তোমার স্মৃতি বুকে নিয়ে
      আমি এখন ফাঁদে।

    দিন গেলো মাস গেলো
        বছর গেলো চলে
     জানিনা কোন সু-দূরে
        আছো তুমি রয়ে।

    ক্লান্তিহীন দুঃখ জড়িয়ে
        পড়ছে অশ্রুজলে
     মুছায়ে কে দিবে বলো
       তোমার মতো করে।

     রেখে যাওয়া আদরে
   সোহাগ এখন মনে পড়ে
    তোমার সেই ভালোবাসা
         গেলো রসাতলে।

     কতশত অঙ্ক আমি যে
       একেছি রাত জেগে
     ভালোবাসার যোগফল
           নির্নয় না করে।

       তোমাই পাবো  ভেবে
        অপ্রকাশ্যেও জেনে
      পূর্ণ হৃদয়ে ভালোবাসা
        গেঁথেছি তাও মনে।

     সুখ-ঐশ্বর্য পাবো ভেবে
          দেখিনি অগচরে
  ভেবেছি শুধু ভালোবাসবো
            ঝর্নাধারা হয়ে।

     হারিয়ে গেছো ওগো তুমি
     ভালোবাসা অক্ষত আছে
           অপূর্ন ভালোবাসা
      কাঙ্গাল করলো আমারে।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

অভিমানী ছেলে।

অভিমানী ছেলে।
   <<<<<<<♥>>>>>>>
<<-মোঃ কামাল হোসেন->>
                   ||
আমি হয়তো একটু অভিমানি
   তবে কেনো এই অভিমান
         কেনো  নিশ্চুপতা।

অভিমান  আমার  পেশা   নয়
    নিজের  ইচ্ছেতেও  নয়
         ভুল বুঝেও  নয়।

আমি অল্পতেই খুব রাগ করি
    হয়তো অভিমানেই করি
          কিন্তু   কিছুক্ষণ।

আমি জানি আমি অভিমানি
       আমি  আবেগ  প্রবণ
          আমার দূর্বলতা।

আমি  কিছুটা  বোকাও  বটে
       আবার কিছুটা চালাক
          সহজেই হেরে যাই।

আমি   অন্ধ  আড়ালে  থাকি
       দেখি তবে অন্তদৃষ্টিতে
             চলমান    গতি।

আমি  কারো   অভিশপ্ত  নই
        কারো  বাঁধাও    নই
             আমি   মুক্ত।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

চাকর।

চাকর।
    ____মোঃ কামাল হোসেন।

চাকর বলছ কারে তুমি?
নিজেও কারো চাকর।
স্যুট, প্যান্ট, কোর্ট, টাই পরে
আজ কার হয়েছো চাকর?

তোমার বাড়ির কাজের লোক
আজ হয়েছে চাকর।
কথায় কথায় ডাকছো জোরে
কই গেলিরে, চাকর বাকর?

অল্প বোঝাই এসেছিল বোধহয়
এক মুঠো ভাত পেটের দায়ে...
আরে কি কান্ড! বেকুব তুমি
এইটুকু ভারীতে কি, লাগে চাকর?

তোমাদের লজ্জা করেনা!
ওদের ঘামের পয়সার জোরে...
তোমার! হয়েছে আজ কদর।
তবে,কেন বলছো? ওদের চাকর।

চাকর যদি হয় কর্মের ফল
ভেবে দেখো তোমার কর্মও চাকর।
তাই চাকর বলে গালি দিওনা
তুমি চাকরের মহা চাকর।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

সোনাপাখি।

সোনাপাখি।
       ____মোঃ কামাল হোসেন।

বিষাক্ত ভালোবাসায়
তিক্ত ভরা জীবন
বেদনা নীল আকাশে
তুমিহীনা সব ধূসর।

কষ্ট ভালোবাসায়
থুবড়ে পড়া জীবন
তোমার অনুপস্থিতি
কাঁদায় আমার ভূবন।

ভালোলাগা ভালোবাসায়
পাগল আমার এ-মন
অনেক কষ্টে পেয়েছি
সোনাপাখি! তুমি আমার আপন।

শেষ ভালোবাসা
তুমি আমার প্রথম ভালোবাসা
দোহাই লাগে ভুলে যেওনা
আমার ভালোবাসা।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...

শনিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৭

রঙিন স্বপ্ন।

রঙিন স্বপ্ন।
=============================
কবিতাটি আমার খুব প্রিয়জন লিখেছেন।
তাঁর কবিতা তাঁকেই উৎসর্গ করলাম।
শুধুমাত্র শেষের দু'লাইন আমি যোগ করে "রঙিন স্বপ্ন" বুনে দিলাম। ধন্যবাদ প্রিয় বন্ধুরা।
=============================

কেউ ভালোবাসি বললেই...!
এ চোখ আমার কেমন ঝাপসা হয়ে আসে,
উড়ে আসা ধুলি-কণা ঝাঁপিয়ে পড়ে চোখে,
আমি চোখ ডলতে থাকি দুই হাত দিয়ে,
গোধুলির সূর্যের ন্যায় হয়ে যাই দু' চোখে।

কেউ ভালোবাসি বললেই...!
সাহসি ঘাসের রং পেয়ে যায় নতুন এক মুখ,
উঁচু নিচু পাহাড়ের ওপারে মেঘ কালো-ঘন।
কালো বরফজল ভারে নত হতে থাকে,
হঠাত ঝর্নাধারায় বিশুদ্ধ হলো আমার মন।

কেউ ভালোবাসি বললেই...!
বজ্রপাতের মতো চমকে উঠি আমি,
নিমেশেই জ্ঞানশুন্য বুঝে আসেনা মনে কিছু।
নাভির তলথেকে আসা আগ্নেয়গিরির লাভা,
স্রোত কণ্ঠনালী ফাঁকা বুক যেন দিগন্ত বিস্তৃত কিছু।

কেউ ভালোবাসি বললেই...!
ধূ ধূ প্রান্তর উড়ে বেড়াবার অনন্ত স্পেস,
তবুও পারিনা নিতে প্রশান্তির নিশ্বাস।
পড়ি মরি করে অনেক কষ্টে উঠে আসি আমি
অস্বস্তি বুকটা ভরে নিতে পারিনা নিশ্বাস।

কেউ ভালোবাসি বললেই...!
ভোর, ভোর, কূল ছেড়ে দূরে যায় চলে নদী,
হেটে হেটে যাই বহুদুর কোন সে সুদুর আমি।
অবিশ্বাস্য! আমার গলা চেপে ধরে, পারিনা..
শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মরে যেতে থাকি আমি।

এখন ভালোবাসি বললেই...!
সোনালি রোদ্দুরে খেলে যায় শিতল হাওয়া,
এই এলো বুঝি নতুন চাষের উর্বর ভূমি।
অবিশ্বাস্য! প্রস্তাবনায় জেগে উঠি বারবার,
বেঁচে থাকার প্রেরণায় রঙিন স্বপ্নের জাল বুনি।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন...
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks